তোফিজুল আরও বলেন, “দলীয় অনিয়ম বহুবার শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে, কিন্তু কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়া আমার লক্ষ্য, কিন্তু সিপিআইএমের সঙ্গে যুক্ত থাকব না।” একই সঙ্গে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে আরও এক ধাক্কা এসেছে বামেদের।
advertisement
চারবারের বাম বিধায়ক ও জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের দুইবারের সাংসদ আবুল হাসনাত খানের পুত্র রকি খানও দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করেননি। তিনি জানিয়েছেন, “দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিমতের কারণে আমি ডিসেম্বর থেকেই বাম রাজনীতি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন দলের সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করার কোনও ইচ্ছা নেই।” সূত্রের খবর, রকি খান খুব শীঘ্রই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন।
সিপিআইএমের মুর্শিদাবাদ জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা ফোনে বলেন, “রকি খান জেলা নেতৃত্বকে কোনও চিঠি দেননি। তোফিজুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমে কী বলেছেন তা সম্পূর্ণ না দেখে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।” উল্লেখ্য, এই ঘটনাগুলো বামপন্থী রাজনীতির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং মুর্শিদাবাদে দলের ভেতরের অসন্তোষের ইঙ্গিত দিচ্ছে।






