বর্তমান সময়ে গ্রাম বা শহর, সর্বত্রই পাঠাগারের গুরুত্ব কমছে। জেলা গ্রন্থাগার থেকে গ্রামীণ পাঠাগার, সর্বত্রই পাঠকের আকাল। হাতে হাতে স্মার্টফোন আর সোশ্যাল মিডিয়ার দাপটে বই এখন পিছনের সারিতে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অরুণজ্যোতি পাঠাগার এক অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাঠক যদি গ্রন্থাগারে না আসে, তাহলে এবার গ্রন্থাগারই পৌঁছে যাবে পাঠকের দোরগোড়ায়। এই ভাবনা থেকেই জন্ম নিয়েছে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগার ‘বইওয়ালা’।
advertisement
আরও পড়ুনঃ পচা দুর্গন্ধের পরোয়া নেই! হাওড়ায় আবর্জনার স্তূপ হাতড়াচ্ছে একদল মানুষ, কীসের খোঁজে জানলে চমকে উঠবেন
সব বয়সের মানুষের রুচির কথা মাথায় রেখে এই ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি সাজানো হয়েছে। সংগ্রহে রয়েছে বাংলা ও ইংরেজি গল্পের বই, কিশোর সাহিত্য ও ধ্রুপদী উপন্যাস, বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক বই, মননশীল ও সমাজচেতনামূলক পাঠ্য। অরুণ চৌধুরী মেমোরিয়াল ট্রাস্টের এই মহতী উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ। উদ্যোক্তাদের মতে, কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে মেধার বিকাশ ঘটে না। প্রকৃত মানবিকতা ও যুক্তিবোধ তৈরির জন্য সাহিত্যের সাথে বন্ধুত্ব একান্ত প্রয়োজন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অন্যতম উদ্যোক্তা শুভাশিস গড়াই বলেন, “গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সিউড়ি ১ ও ২ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন গ্রামে আমাদের এই ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ঘুরছে। গত রবিবারও মাঝিপাড়াতে এই কর্মসূচি হয়েছে। মূল লক্ষ্য একটাই, ছাত্রছাত্রীদের মোবাইল আসক্তি কমিয়ে তাঁদের বইমুখী করা। মানুষের আগ্রহ প্রতিদিন বাড়ছে।” একদিনেই অভ্যাস বদলানো সম্ভব নয়, তবে ধারাবাহিক চেষ্টায় পরিবর্তন আসবেই, সেই বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে চলেছে ‘বইওয়ালা’।





