অসিম বাবু জানান, সোলার প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুতেই তার বাড়ির দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হচ্ছে। ফলে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিলের চিন্তা একেবারেই নেই। বিদ্যুতের জন্য বিদ্যুৎ দফতরে কোনও অতিরিক্ত অর্থও দিতে হয় না বলে জানান তিনি। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগে যেমন বিদ্যুৎ খরচ কমেছে, তেমনই কমেছে কার্বন নিঃসরণ। প্রাকৃতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে স্বনির্ভর হওয়া যায়, তার বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছেন বসিরহাটের অসিম দাস।
advertisement
আরও পড়ুন: পার্থর প্রত্যাবর্তন! লাইব্রেরি কমিটি-সহ বিধানসভায় একাধিক দায়িত্ব পেলেন প্রাক্তন মন্ত্রী
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রসার ঘটলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের আর্থিক সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে পরিবেশ রক্ষাতেও বড় ভূমিকা নেবে। বসিরহাটের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই এলাকার বহু মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সোলার শক্তির ব্যবহারে আগ্রহী হতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। অনেকের কাছেই অসিম বাবু আজ হয়ে উঠেছেন প্রেরণার নাম—যিনি দেখিয়ে দিলেন, একটু পরিকল্পনা আর উদ্যোগ থাকলেই বিদ্যুৎ বিল ছাড়াই আধুনিক জীবনযাপন সম্ভব।





