অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনীর কর্মী ও রঘুনাথপুর থানার পুলিশ। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। তবে কীভাবে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
advertisement
দমকল বাহিনীর একটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে লাগলেও পাহাড়ের চূড়ায় আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে। সময় যত গড়াচ্ছে, আগুনের ভয়াবহতা ততই বাড়ছে। এই ঘটনায় গোটা এলাকাজুড়ে তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীদের আশঙ্কা, রাতের দিকে যদি আগুন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে, তাহলে পাহাড়ের নিচে থাকা বাড়িঘরেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ জেলার চাষিদের জন্য দারুণ সুখবর! ভাঙড়ে তৈরি হচ্ছে আধুনিক হিমঘর, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
স্থানীয় বাসিন্দা শিবরাম বাউরি, বাবু বাউরি-সহ অন্যান্যরা জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগুন আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। তাদের কথায়, দমকলের মাত্র একটি ইঞ্জিন দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পাহাড়ের নিচে বহু বসতবাড়ি থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতিমধ্যেই সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেছে রঘুনাথপুর থানার পুলিশ ও দমকল বাহিনী। কীভাবে দ্রুত এবং সম্পূর্ণভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সেই লক্ষ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ।





