সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফসে এসআইআর এবং বিধানসভ নির্বাচন নিয়ে একটি বৈঠক আছে৷ সেই বৈঠকেই যোগ দেবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক৷ আগামিকাল সকাল ১১ টা থেকে দিনভর হবে বৈঠক।
আরও পড়ুন :‘এসআইআর-এর কাজ সম্পূর্ণ করতে বাধা দিতে পারি না,’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানাল সুপ্রিম কোর্ট
advertisement
এসআইআর মামলার সোমবারের শুনানি শেষে একগুচ্ছ নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ৷ বাড়ানো হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা জমা দেওয়ার সময়সীমা৷ এখন ১৪ ফেব্রুয়ারি নয়, ২১-২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ হবে চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট৷ কার নাম থাকল, কার নাম বাদ গেল, জানা যাবে তখনই৷
এছাড়া, এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজার্ভারদের ভূমিকাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে৷ আদালত জানিয়েছে, মাইক্রো অবজারভাররা শুধুমাত্র সিদ্ধান্ত নিতে সহযোগিতা করবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরওই৷ মাইক্রো অবজারভাররা শুধুমাত্র অ্যাসিস্ট করবেন চিহ্নিত স্ট্যাচুয়েটরি অথরিটিকে৷ নথি যেহেতু জমা পড়েছে এবং হিয়ারিংও হয়ে গিয়েছে। স্ক্রুটিনাইজিং করার জন্য আরও সময় লাগতে পারে, আমরা তাই আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়ার। ১৪ ফেব্রুয়ারির পর।
এছাড়া , ভোটারদের নাম, বয়সের ফারাক, ঠিকানা ইত্যাদির যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে AI সফটওয়্যা ব্যবহার করছে কমিশন তা নিয়েও মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট৷
এদিন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নামের বানান নিয়ে যেভাবে সাধারণ মানুষকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত সীমাবদ্ধ। অধিকাংশ বাঙালি পরিবারে ‘কুমার’ মধ্যম নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, অথচ শুধু এই কারণেই নোটিস পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টির অযৌক্তিকতা বোঝাতে তিনি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে উদাহরণ দিয়ে বলেন, কল্পনা করুন ‘শুভেন্দুনারায়ণ রায়’-এর ক্ষেত্রে ‘নারায়ণ’ যদি মধ্যম নাম হয়, তাহলেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে দাঁড়িয়ে ওয়াল করার প্রসঙ্গে জানানো হিন্দু মহাসভার আপত্তিও খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট৷ জানায়, ‘‘সবকিছু নিয়ে রাজনীতি করবেন না৷’’
এই পরিস্থিতির মাঝেই কমিশনে বৈঠক৷ আর তাতে যোগ দিতে যাচ্ছেন পশ্চিবঙ্গের সিইও৷ বৈঠকে নুন কোনও কিছু ঘটে কি না, নজর থাকবে সেদিকেই৷
