এই বিষয়ে নীলিমা মুড়া বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি মুখোশ শিল্পের কাজ করছেন। সকালে মুখোশ তৈরি করেন ও রাতে পড়াশোনা করেন। এই মুখোশের টাকা দিয়েই তাদের সংসার চলে। এরই পাশাপাশি চলে তার পড়াশোনার খরচ। পরিবারের সকলে তার পাশে দাঁড়ান। তার কাজে সহযোগিতা করেন। আগামী দিনে নার্স হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে তার। সেই স্বপ্ন নিয়েই তিনি এগিয়ে চলেছেন।
advertisement
মেয়ে যে-ভাবে নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে সমস্ত প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে তাতে গর্বিত বাবা লখু মুড়া। মেয়ের সাফল্য তাকে অনেকটাই আনন্দ দেয়। আগামী দিনের মেয়ের পাশে থাকার কথা বলেন তিনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রবল ইচ্ছে শক্তি ও মনের জোড়ের বলে সমস্ত প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে নীলিমা। মুখোশ তৈরি করে সংসারের হাল যেমন ধরেছে, তেমনই পড়াশোনা করে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখছি সে। আজ বহু মেয়ের অনুপ্রেরণা তিনি।





