প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫-এ তাদের কাছে থাকা ৬৪টি ফাইল প্রকাশ (ডিক্লাসিফাই) করে। এরপর, কেন্দ্রীয় সরকার ২৩ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ১০০টি ফাইল পর্যায়ক্রমে জনসমক্ষে নিয়ে আসে। এই ফাইলগুলি থেকে নেতাজির জীবন, অন্তর্ধান এবং পরবর্তী ঘটনাবলী সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য সামনে আসে। এই ফাইলগুলোতে শাহনওয়াজ কমিটি (১৯৫৬), খোসলা কমিশন (১৯৭০-৭৪), এবং বিচারপতি মুখার্জি কমিশনের (১৯৯৯-২০০৬) কাজের বিবরণ, নেতাজির পরিবার এবং আইএনএ (INA) সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে।
advertisement
এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, “নেতাজি জানতেন দেশ মানে শুধু হিন্দু নয়, দেশ মানে শুধু মুসলিম নয় – দেশ মানে পুরুষ, মহিলা, হিন্দু, মুসলমান, শিখ, খ্রিস্টান, পাঞ্জাবি, তামিল, গুজরাতি, বাঙালি সকলে। তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজ ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক যেখানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের জন্য সংগ্রাম করেছিলেন হিন্দু-মুসলমান, শিখ-খ্রিস্টান, ধনী-দরিদ্র, পুরুষ-মহিলা — সমস্ত জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়ের মানুষ। যদি আমরা নেতাজিকে প্রকৃত অর্থে সম্মান করতে চাই, তাহলে আমাদের সবার কর্তব্য তাঁর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতির আদর্শকে অনুসরণ করা। বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ নির্বিশেষে আমরা সবাই ভারতীয় – এই আমাদের পরিচয়।”
