এদিনের জলপাইগুড়ির ঠাকুরনগরের জাবরাভিটা হাই স্কুল ময়দানের সভা থেকে ফের উত্তরবঙ্গ ভাগ করার আশঙ্কার কথা তুলে ধরতে দেখা যায় তৃণমূলনেত্রীকে৷ মমতা বলেন, ‘‘বিহারে দুটো-চারটে জেলা এবং উত্তরবঙ্গের কয়েকটা জেলা নিয়ে আপনারা আলাদা রাজ্য করবেন? আবার বাংলাকে পদানত করবেন? কিছুতেই হতে দেব না।’’
advertisement
এদিন এসআইআর ইস্যুতে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে এক সরলরেখায় রেখে মমতার আক্রমণ, ‘‘আপনারা জানেন তো, আপনারা ছাড়া আমার আর কেউ নেই। আমার গভর্নমেন্টের সব অফিসারদের বদলি করে দিয়েছে। সব বিজেপি অফিসারদের নিয়ে এসেছে। কেন জানেন? আমাকে জব্দ করার জন্য। ওরা জানে না, আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর। আগামী দিনে বোঝাব, দেখাব বাংলা দখল করে দিল্লি দখল করব।’’
রান্নার গ্যাস নিয়ে বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও এদিন কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন তৃণমূলমেত্রী৷ বলেন, ‘‘খাওয়া-দাওয়া তো বন্ধ। ও দিকে রেলের ভাড়া তো রোজই বাড়ে। ’’
বিজেপি বিধায়ককে নিশানা করে মমতা বলেন, ‘‘এই ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি তো ওরা পেয়েছিল। কী করেছে? যা করেছি তো আমরা করেছি। একটা কাজও করে না। নেই কাজ তো খৈ ভাজ। রাজপ্রসাদ থেকে লাট্টু-চরকি ঘোরা। সব জায়গায় আসছে নোটের তাড়া। যদি এনআরসি না চান, ডিটেনশন না-চান, যদি লক্ষ্মীর ভান্ডার চান… এলাকায় শান্তি রাখতে চান, তা হলে মনে রাখবেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিকল্প নেই।’’
আরও পড়ুন: বাবার সঙ্গে সকাল সকাল বেরিয়েছিল মিষ্টু! আর ফেরা হল না বাড়ি, হাইওয়েতে ভয়ঙ্কর পরিণতি
এরপরেই গত মঙ্গলবার কমিশনের সাইট বিভ্রাটের প্রসঙ্গ তোলেন মমতা৷ ডাবগ্রামের সভা থেকে মমতা বলেন, ‘‘আপনারা কি জানেন মা-ভাই-বোনেরা, গতকাল রাতে সবার ভোট কেটে দিয়েছিল? কারও ছিল না। মানে, বাংলার যত লোক আছে, হঠাৎ হাপিস! ভ্যানিশ হয়ে গেল! তার পর বলছে ‘টেকনিক্যাল ফল্ট’! আমি আমার নামটা খুলে দেখছি, সেটাও অ্যাডজুডিকেশন! বুঝতে পারছেন অবস্থা? এরা করতে পারে না, এমন কোনও কাজ নাই। তাই তৈরি থাকুন।’’
নকশালবাড়ির তালিকা থেকে মমতার সওয়াল, ‘‘তোমাকে হ্য়াকিং করার সাহস করাও আছে? তুমি হ্য়াকিং করেছ, না টেকনিক্য়াল বজ্জাতি করেছ, তা আমাদের জানাও৷ সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরিয়েছে, এখন জানা নেই কত নাম বাদ গিয়েছে৷’’
