রায়গঞ্জের প্রাচীন বাসন্তী পুজোগুলির মধ্যে একটি উদীয়মান সংঘের পুজো। এই বছর এই পুজো ৭০ বছরে পা দিতে চলেছে। জানা গিয়েছে, এবারের আনুমানিক বাজেটও প্রায় ৭০ হাজার টাকা।
আরও পড়ুনঃ বাংলা শিখতে হবে! কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের পরামর্শ জেলা প্রশাসনের, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বড় পদক্ষেপ
প্রায় সাত দশক প্রাচীন এই বাসন্তী পুজোর বেশ কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। এখানে পুজো শেষে প্রতিমার বিসর্জন হয় না। দুর্গাপুজো অবধি প্রতিমা মণ্ডপেই বিরাজ করে। দুর্গাপুজোর সময় প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে দেবী দুর্গার পুজো শুরু হয়। আবার বাসন্তী পুজোর আগে দুর্গা প্রতিমার নিরঞ্জন হয়।
advertisement
রায়গঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এই পুজোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন এনবিএসটিসির অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী গোবিন্দ রায়। শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত মণ্ডপের নিত্যদিনের পুজো তিনিই করেন। তাঁকে সাহায্য করেন ছেলে শঙ্কর কুমার রায়। তাঁদের সহযোগিতায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা সুদীপ দাস।
প্রসঙ্গত, এই একটি পুজোই নয়, রায়গঞ্জ জুড়ে আরও বহু বাসন্তী পুজোর আয়োজন করা হয়। শেরপুরের ধুরইল গ্রামের নিতাইচন্দ্র রায়ের বাড়ির পুজো শতাব্দী প্রাচীন। এছাড়াও উদয়পুরের পাঁচ দশক প্রাচীন বাসন্তী পুজো, সুভাষগঞ্জের বাগানপাড়া ক্লাবের উদ্যোগের বাসন্তী পুজো সহ এখানে একাধিক পুজো হয়।
