মালদহ রেল ডিভিশনের আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেন নম্বর ২২৯৪৮ আপ ভাগলপুর–সুরাট এক্সপ্রেসে এক মহিলা যাত্রীর সোনার চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ পাওয়ার পরই আরপিএফ, জিআরপি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে।
‘হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে!’ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে প্রথম মুখ খুলেই কড়া অবস্থান মোজতবার
advertisement
তদন্তের ভিত্তিতে মালদহ ডিভিশনের ভাগলপুর আরপিএফ দল সন্দেহভাজন এলাকায় তল্লাশি চালায়। সেই অভিযানে দুই মহিলা দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রী ছাড়াও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫.১১ লক্ষ টাকা। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে দুটি পিস্তল, ১২ রাউন্ড কার্তুজ, চারটি ম্যাগাজিন, চারটি দেশি কাট্টা এবং ছয় রাউন্ড দেশি আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি। এছাড়াও তিনটি রামপুরি ছুরি উদ্ধার হয়েছে।
এছাড়া অভিযানে একটি স্যামসাং ট্যাবলেট, ১৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং ২৮টি কিপ্যাড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৪ গ্রাম সোনার গয়না ও প্রায় ২০০ গ্রাম রুপোর গয়না।
তল্লাশিতে আরও একটি হালকা ওজনের ওজন মেশিন, বিভিন্ন ধারাল অস্ত্র, একটি বড় ট্রলি ব্যাগ, দুটি ছোট ট্রলি ব্যাগ, একটি হাতঘড়ি এবং প্রায় ৫০টি বিভিন্ন ব্যক্তির আধার কার্ডও উদ্ধার হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া দুই মহিলা দুষ্কৃতীকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীসহ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই অপরাধচক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে মালদহ রেল ডিভিশনের আরপিএফ।






