এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ এলাকার বাড়ি বাড়ি থেকে সেপটিক ট্যাঙ্কের বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পরিশোধন করা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রক্রিয়ায় মানব বর্জ্যকে একাধিক ধাপে পরিশোধন করে তা পরিবেশবান্ধব জৈব সারে রূপান্তরিত করা সম্ভব। পাশাপাশি উৎপাদিত পরিশোধিত জল কৃষিক্ষেত্রে সেচের কাজে ব্যবহার করা যাবে।
advertisement
মালদহ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান দূষ্য়ান্ত কুমার রাঘব জানান, “ফেক্যাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট একটি আধুনিক ও কার্যকর ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হচ্ছে, যা কৃষির জন্যও অত্যন্ত উপকারী।” স্থানীয় বিধায়ক তাজমুল হোসেন বলেন, “এই প্রকল্প চালু হওয়ার ফলে শৌচাগারের বর্জ্য আর এলোমেলোভাবে ফেলা হবে না।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নির্দিষ্টভাবে সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে, যা পরিবেশ দূষণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।” প্রশাসনের আশা, এই প্রকল্প চালুর ফলে হরিশ্চন্দ্রপুরে স্যানিটেশন ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে। পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।





