তৃণমূলের দলীয় সূত্রে খবর, মনোনয়ন থেকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দিতে পারেন মমতা। সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষদের মিছিলে আনা হতে পারে। বিজেপি যে এসআইআর ইস্যুতে বাঙালিদের অনুপ্রবেশকারী বলে দেগে দিয়েছে বলে তৃণমূলের অভিযোগ, তার জবাব মনোনয়নেও দিতে পারেন মমতা।
SIR এ ভবানীপুর থেকে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। যা নিয়ে বারংবার নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এদিনের মনোনয়ন পেশ পর্ব থেকেই ফের একবার আক্রমণ শানাতে পারেন তিনি।
advertisement
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি কলকাতা পুরসভার আটটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এই কেন্দ্রে একদিকে যেমন রয়েছে ৭২ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের মতো বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা, তেমনই ৬৩, ৭০, ৭১, ৭৩ এবং ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন গুজরাতি, পঞ্জাবি ও মাড়োয়ারি সম্প্রদায়ের মানুষ। ভবানীপুরে জৈন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য। আবার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যাধিক্য। তাই প্রস্তাবক হিসাবে সর্ব ধর্মের মানুষ থাকতে পারেন আজকের মনোনয়নে।
সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী রুবি হাকিম, ভবানীপুর এডুকেশন সোসাইটির কর্ণধার মীরাজ শা, বাবলু সিং থাকতে পারেন প্রস্তাবক হিসাবে। বস্তুত, ‘মিনি ইন্ডিয়া’ ভবানীপুর, এই বার্তা তুলে ধরতেই প্রস্তাবক হিসাবে থাকতে চলেছেন সর্ব ধর্মের প্রতিনিধিরা। ইতিমধ্যেই ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছে। খোদ অমিত শাহ এসেছিলেন তাঁর রোড শো-তে। সেখান থেকেই শাহের চ্যালেঞ্জ ছিল, ঘরের ভিতরে ঢুকে তৃণমূল সুপ্রিমোকে হারাবে বিজেপি। আজ পাল্টা কী চ্যালেঞ্জ ছুঁড়বেন মমতা? সে দিকে নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।
