Howrah-Digha Local Train: দিঘা ভ্রমণে এবার আর চিন্তা নেই! হাওড়া থেকে চালু স্পেশাল লোকাল ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
Howrah-Digha Local Train:গরমের ছুটিতে দিঘা যাওয়া আরও সহজ। হাওড়া-দিঘা সামার স্পেশাল লোকাল ট্রেন চালু করল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। কম খরচে সহজ যাতায়াতে স্বস্তি পর্যটক ও নিত্যযাত্রীদের
গরমের ছুটি মানেই দিঘা ভ্রমণ। দুপুরে সমুদ্র স্নান আর সন্ধ্যায় সমুদ্রের ধারে বসে ফুরফুরে বাতাসের সঙ্গে মনোরম সমুদ্র সৈকত উপভোগ। কিন্তু যাতায়াতের ভিড়ের কথা মাথায় এলেই অস্বস্তি বোধ হয়। এবার সেই কথা মাথায় রেখেই দিঘা ভ্রমণে স্বস্তির খবর নিয়ে এল দক্ষিণ-পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ। চালু হল দিঘা-হাওড়া সামার স্পেশাল লোকাল ট্রেন।
advertisement
পর্যটন কেন্দ্র দিঘার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ করতে এই উদ্যোগ। যাত্রীদের অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফ থেকে চালু করা হল হাওড়া-দিঘা সামার স্পেশাল ইএমইউ লোকাল ট্রেন। এতদিন একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন থাকলেও সরাসরি লোকাল পরিষেবা ছিল না। রেলের এই ঘোষণা স্বস্তির খবর পর্যটকদের জন্য।
advertisement
advertisement
রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৬ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই ট্রেন চলবে। এটি ১২ কামরার ইএমইউ ট্রেন। ০৮০০৩ আপ হাওড়া-দিঘা স্পেশাল লোকাল সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে হাওড়া থেকে ছাড়বে। দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে দিঘায় পৌঁছাবে। ফেরার পথে ০৮০০৪ ডাউন ট্রেনটি বিকেল ৩টেয় দিঘা থেকে ছাড়বে। সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছাবে।
advertisement
এই ট্রেনটি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে। সাঁতরাগাছি, উলুবেড়িয়া, বাগনান, মেচেদা, রঘুনাথবাড়ি, রাজগোদা, শহিদ মাতঙ্গিনী, তমলুক, নন্দকুমার সহ অনেক স্টেশন রয়েছে। এছাড়া লবণ সত্যাগ্রহ স্মারক, দেশপ্রাণ, ঘোলবাগদা, নাচিন্দা, কাঁথি, শীতলপুর, সুজালপুরেও থামবে। আশাপূর্ণা দেবী, বাদলপুর, রামনগর ও ঠিকরাতেও স্টপেজ রয়েছে। ছোট-বড় প্রায় সব স্টেশনেই থামবে এই ট্রেন।
advertisement
পাঁশকুড়া হলদিয়া দিঘা দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সরোজকুমার ঘড়া বলেন, “এতদিন এক্সপ্রেস ট্রেনে যাতায়াত ব্যয়বহুল ছিল। সময়ও বেশি লাগত। তাই নিত্যযাত্রীরা সমস্যায় পড়তেন। এখন এই ট্রেন চালু হওয়ায় স্বস্তি মিলবে। তবে জেলাবাসীর দাবি, ট্রেনটি সারা বছর চালানো হোক। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে। তবে স্থায়ী পরিষেবা হলে আরও বেশি মানুষ উপকৃত হবেন।"








