এদিন ওই এলাকার বাসিন্দা রাসো দাস ১০৩ বছর বয়সে প্রয়াত হন। দীর্ঘ জীবন কাটিয়ে, সন্তান-সন্ততি ও নাতি-নাতনিদের মুখ দেখে ভরা সংসার রেখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের মতে, এমন পরিপূর্ণ জীবনযাপনের পর তাঁর মৃত্যু শোকের নয়, বরং আনন্দের উপলক্ষ। সেই ভাবনা থেকেই মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার সময় শোকমিছিলের বদলে আয়োজন করা হয় আনন্দময় শেষযাত্রার। ব্যান্ডবাদ্দি, খোল-করতাল বাজাতে বাজাতে, হাসিখুশি মনেই রাসো দাসের মরদেহ শ্মশানে নিয়ে গিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন নাতিরা। এই ব্যতিক্রমী শেষযাত্রায় আত্মীয়স্বজনের পাশাপাশি পাড়া-প্রতিবেশীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। সকলের চোখেমুখেই ছিল প্রশান্তি ও আনন্দের ছাপ।
advertisement
আরও পড়ুন: গয়না বড়ি এবার হাতের মুঠোয়! ক্রেতাদের সুবিধার পাশাপাশি জেলা পরিষদের উদ্যোগে খুলল রোজগারের নতুন পথ
মৃত বৃদ্ধার এক আত্মীয় সুখদেব দাস বলেন, “ঠাকুরমা ১০৩ বছর বয়সে মারা গিয়েছেন। ছেলে-পুলে, নাতি-নাতনি সবার মুখ দেখে তিনি পরলোক গমন করেছেন। তাই এই মৃত্যু আমাদের কাছে শোকের নয়, আনন্দের। সেই কারণেই ব্যাণ্ডবাদ্দি আর খোল-করতাল বাজিয়ে আনন্দের সঙ্গেই তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হচ্ছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমান সময়ে যেখানে প্রিয়জন হারানোর বেদনাই বেশি করে চোখে পড়ে, সেখানে দাঁড়িয়ে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের এই আনন্দময় শেষযাত্রার ছবি অনেকের কাছেই একেবারে ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদাহরণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসীরা।





