পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন নিয়মিত তল্লাশি অভিযানের অংশ হিসেবে নাকা চেকিং চালানো হচ্ছিল। সেই সময় জেলা কংগ্রেসের এক প্রাক্তন বিধায়কের গাড়ি নিয়ে ছয় যুবক গাজোলের পাণ্ডুয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ গাড়িটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালালে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়। এরপরই গাড়িতে থাকা ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার ধৃতদের মালদহ জেলা আদালতে পেশ করা হয়।
advertisement
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিতর্ক। পুরাতন মালদহ পৌরসভার চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ বলেন, “গাড়িটি মানিকচকের প্রাক্তন বিধায়ক মোত্তাকিন আলমের। নির্বাচন ঘোষণার আগে লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, এই অস্ত্র কেন গাড়িতে ছিল তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।” তাঁর মতে, ঘটনার পিছনে কোনও অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে এবং পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রটি সম্পূর্ণ লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং এর সঙ্গে কোনও অসৎ উদ্দেশ্য জড়িত নয়। পুরাতন মালদহ কংগ্রেস নেতা মন্টু ঘোষ জানান, “ইদের ব্যস্ততার কারণে প্রাক্তন বিধায়ক গাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি নামাতে ভুলে গিয়েছিলেন। পরে তাঁর আত্মীয়রা সেই গাড়ি নিয়ে পাণ্ডুয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলে নাকা চেকিংয়ের সময় পুলিশ সেটি উদ্ধার করে।” যদিও এই বিষয়ে প্রাক্তন বিধায়ক নিজে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। ইতিমধ্যেই পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং ধৃত ছয় যুবকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।






