কিন্তু স্টেশন ছাড়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ধুবুলিয়ার কাছে হঠাৎ সম্পূর্ণ বিকল হয়ে যায় ইঞ্জিন। ফলে জনবসতিহীন এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেন। এসি কামরায় বিদ্যুৎ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। জল ও খাবারেরও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি ক্রমশ অসহনীয় হয়ে ওঠে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ এবার বাগডোগরা থেকে সোজা দিঘা! সমুদ্র সফর আরও সহজ, নতুন ট্রেনে টাইম, স্টপেজ জানুন
এসি টু-টায়ারের যাত্রী নিপা থাপা, যিনি তাঁর দু’বছরের সন্তানকে নিয়ে এনজিপি যাচ্ছিলেন, ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এমন ফাঁকা জায়গায় ট্রেন দাঁড়িয়েছে যে নামারও উপায় নেই। কামরার এসি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, বাচ্চার খুব কষ্ট হচ্ছে। কখন ছাড়বে, সেটাও কেউ জানাতে পারছে না।” শিশু ও মহিলাদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি হয়েছে। খবর পেয়ে রেলের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ইঞ্জিনে পাওয়ার সাপ্লাই সংক্রান্ত বড়সড় ত্রুটি দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প ইঞ্জিনের ব্যবস্থা করা হয়। বিকল ইঞ্জিনটিকে কৃষ্ণনগরে ফিরিয়ে এনে ধুবুলিয়া থেকে একটি নতুন ইঞ্জিন জুড়ে ট্রেনটিকে গন্তব্যে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই বিভ্রাট সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। তবে যাত্রীদের প্রশ্ন, দূরপাল্লার ট্রেনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণে ঘাটতি থাকলেই কী করে এমন ঘটনা ঘটছে? ঘটনায় রেলের পরিষেবা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বিগ্ন যাত্রীরা।






