পুলিশ সূত্রে খবর, ময়না তদন্তে মৃতের পাকস্থলীর মধ্যে সন্দেহজনক পদার্থ পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই ছাত্রীর শরীরের সমস্ত নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক এর জন্য পাঠানো হয়েছে। হোস্টেল কর্তৃপক্ষ এবং যাদের সঙ্গে তিনি থাকতেন, তাদেরকেও ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে বরতলা থানায়। তবে, পরিবারের তরফে এখনও কোনও অভিযোগ করা হয়নি।
advertisement
জানা গিয়েছে, স্কটিশ চার্চ কলেজের পলিটিক্যাল সায়েন্সের পঞ্চম সেমিস্টারের ছাত্রী ত্রিপুরার বাসিন্দা ঋশিকা। গত ২৪ শে জানুয়ারি বিধান সরণীতে স্কটিশ চার্চ কলেজের লেডিস হস্টেলে দুই বন্ধুর সঙ্গে পপকর্ন জাতীয় খাবার খাচ্ছিল সে। হঠাৎ করে সে বলে, অসুস্থতা বোধ করছি। ছাদে যে সিক রুম আছে, সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় ঋশিকাকে। কিছুক্ষণ বাদে মেয়েটির মা বন্ধুদের ফোন করে বলে যে, তাকে ফোনে পাচ্ছে না। বন্ধুরা ছাদে সিক রুমে গিয়ে দেখে, অচৈতন্য অবস্থায় ঋশিকা পড়ে আছে। মুখ দিয়ে গ্যাজলা বেরোচ্ছে। কলেজ কর্তৃপক্ষকে ফোন করলে দ্রুত কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানকার আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। পরের দিন, ২৫ জানুয়ারি মৃত্যু হয় ঋশিকার।
বরতলা থানা অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত করছে। নিরাপত্তা রক্ষী, মেয়েটির রুমমেটদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে, প্রাথমিকভাবে পাকস্থলীতে ফরেন বডির অস্তিত্ব পাওয়া যায়, মনে করা হচ্ছে, বিষাক্ত পদার্থ। নখ, রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে স্টেট ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। পাকস্থলীর নমুনা নিয়ে কেমিক্যাল এক্সামিনেশনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
