নারায়ণগড়ের হাঁদলা রাজগড় এলাকায় চর্যা ও কচি পাতার সংস্কৃতিক একাডেমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হল বিশেষ শাস্ত্রীয় সংগীতের অনুষ্ঠান। এই সংগীত আসরে অংশ নেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী জ্যোতি গোহ। তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ ও যন্ত্রসঙ্গীতে অংশ নেন একাধিক পেশাদার শিল্পী। বিশুদ্ধ শাস্ত্রীয় রাগের পরিবেশনা, তালের সূক্ষ্মতা ও সুরের গভীরতায় মুগ্ধ হন উপস্থিত শ্রোতারা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ প্রকৃতিকে ‘ভগবান’ রূপে পুজো! বসন্তের আগমনে ভারতের প্রাচীন জনজাতির উধৌলি উৎসব উদযাপন, স্বচক্ষে দেখুন
এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল, ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণ। অভিজ্ঞ শিল্পীদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে ছোট ছোট পড়ুয়াদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস যেমন বেড়েছে, তেমনই শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রতি আগ্রহও নতুন করে জেগে উঠেছে বলে মনে করছেন আয়োজকরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের মঞ্চ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শাস্ত্রীয় সংগীতের সঙ্গে যুক্ত রাখার অন্যতম মাধ্যম।
আয়োজকদের বক্তব্য, বিশুদ্ধ শাস্ত্রীয় সংগীত চর্চার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক চেতনার বিকাশ ঘটানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দ্রুতগতির আধুনিক জীবনে যখন বিনোদন মানেই ঝলমলে গান কিংবা ডিজিটাল পর্দার উপর নির্ভরতা, তখন শাস্ত্রীয় সংগীত মানুষের মনকে শান্ত করে, ধ্যান ও মননের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আধুনিক গানের পাশাপাশি ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রচার ও প্রসার ঘটাতেই প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এই ধরনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তারা। স্থানীয় মানুষজন ও সংগীতপ্রেমীদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এই উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের আসর। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামাঞ্চলে সাংস্কৃতিক চর্চাকে নতুন প্রাণ দেবে এবং হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে।





