কয়েকদিন আগে বেলপাহাড়ির বাঁশপাহাড়ির জঙ্গলে ট্রাপ ক্যামেরায় ভালুকের পাশাপাশি ধরা পড়ে হানি বেজারের ছবিও। তার আগে ভুলাভেদা জঙ্গলেও ভালুকের অস্তিত্ব মিলেছিল। বন দফতরের মতে, জঙ্গল বৃদ্ধি, খাদ্য ও জলের সংস্থান এবং মানুষের সচেতনতা বাড়ার ফলেই প্রাণীকুলের উপস্থিতি বাড়ছে।
আরও পড়ুন: ভাবা যায়! ১০ টাকায় আনলিমিটেড চানা মশলা, ৫টি লুচি! বর্ধমানে সস্তার জলখাবারে লম্বা লাইন
advertisement
হানি বেজার ছোট থেকে মাঝারি আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী। শরীর মজবুত, পা শক্তিশালী এবং নখ ধারালো। সাধারণত কালচে রঙের লোম, পিঠের দিকে হালকা ধূসর বা সাদাটে ছাপ থাকে। অত্যন্ত নির্ভীক ও আক্রমণাত্মক স্বভাবের জন্য পরিচিত। ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা-সহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখা মেলে। জঙ্গল, ঘাসভূমি ও পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে। মাটির গর্ত বা পরিত্যক্ত গর্তে আশ্রয় নেয়। মধু, মৌমাছির লার্ভা, ইঁদুর, সাপ, পোকামাকড় ও ফল এদের খাদ্যতালিকায় থাকে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উল্লেখ্য, গত বছর ৬০ হাজার হেক্টর এলাকার মধ্যে ২০ শতাংশ জমিতে উদ্ভিদ সমীক্ষা চালায় ঝাড়গ্রাম বন দফতর। ১২ রেঞ্জের ৩৬টি বিটে তিনদিন ধরে সমীক্ষায় ৪৯টি বিপন্ন গাছ ও ৪০টি ক্লাইম্বার চিহ্নিত হয়। ফলে ফ্লোরার পাশাপাশি ফনা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেই মনে করছে বন দফতর। দিনের পর দিন জঙ্গলমহলের বিভিন্ন জঙ্গলে বিভিন্ন ধরনের বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর অস্তিত্ব, ভালুক-সহ ময়ূরের উপস্থিতি প্রমাণ করে জঙ্গলমহলের খাদ্যের প্রাচুর্যতা এবং বসবাসের জন্য উপযোগী। বন দফতরের এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, জঙ্গলে জীববৈচিত্র ভাল জায়গাতেই রয়েছে। বনকর্মীরা নিয়মিত কাজ করছেন। জঙ্গল, বন্যপ্রাণ ও মানুষের সহাবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানান হয়েছে বন বিভাগের তরফে।






