ঝাড়গ্রাম জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের অধিকার মিত্র রিতা দাস দত্ত। ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ২ ব্লকের ঘুঁটিয়া গ্রামে জন্ম। স্কুল জীবনে হারিয়েছেন তাঁর দাদা এবং মাকে। বাবার সামান্য দোকান, কোনওভাবে করেন স্নাতক পাস। বিয়ে হয়ে যায় ব্লকের চোরচিতা এলাকায়। এরপর ২০২২ সালে নভেম্বর মাসে পরীক্ষা দিয়ে ঝাড়গ্রাম জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের পার্শ্ব আইনি সহায়ক পদে যোগ দেন, যার বর্তমান নাম অধিকার মিত্র। ঝাড়গ্রাম জেলার বেলিয়াবেড়া থানা এবং গোপিবল্লভপুর ২ ব্লক অফিসে তিনি মানুষজনকেই সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন।
advertisement
আরও পড়ুন: পুণ্য অর্জনের সেরা সুযোগ, হাড়কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে গঙ্গাসাগরে জনজোয়ার! দ্বিতীয় দিনেও স্নানের ধুম
দুপুরের পর বের হন গ্রামে গ্রামে। সেখানে মানুষকে তাদের অধিকার, ন্যায্য দাবি সম্পর্কে বোঝান। আইনি সহায়তা প্রয়োজন হলে বিনামূল্যে দিয়ে থাকেন সেই পরিষেবা। নিয়োগের মাত্র এক বছরের মধ্যে কাজের পুরস্কার স্বরূপ রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের তরফে বেস্ট পিএলভি অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ অর্জন করেন রিতা। বাড়ির কাজ সামলে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে আইনি পরিষেবা পৌঁছে দিতে তাঁর এই প্রয়াস। শুধু পেশাগত দায়িত্ব পালন নয়, করেন সামাজিক কাজ। প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় গ্রাম্য হিংসা, বাল্যবিবাহ, মানুষের অধিকার সহ আইনি বিষয়ে সচেতন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, এলাকার বিভিন্ন মানুষকে পাইয়ে দিয়েছেন তাদের প্রাপ্য অধিকার।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সম্প্রতি চোরচিতা গ্রামের বিশেষভাবে সক্ষম স্নেহাশু দে’কে প্রাপ্য পারিবারিক পেনশনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এলাকার একাধিক মানুষের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছেন এবং সমাধান করে তাদের সাহায্য করেছেন। দায়িত্ব পালন করে তিনি ক্ষান্ত হন না। সকাল থেকে বের হন, বাড়ি ফেরেন রাত্রিতে। মাঝে পেশাগত দায়িত্ব এবং পেশাগত দায়িত্বের মাঝেই মানুষকে উপকার করেন। এতেই যেন মানসিক শান্তি খুঁজে পান। যে ধারণা নিয়ে তার এই পেশায় আসা, মানুষের উপকার করে যেন নিজের মানসিক শান্তি সুদে আসলেই তুলে নেন। তার এই উদ্যোগ এবং পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা সমাজের কাছে দৃষ্টান্ত।





