জলপাইগুড়ি তথা উত্তরবঙ্গের দাপুটে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব এবং এ বছরের জলপাইগুড়ি সদর বিধান সভার তৃণমুল প্রার্থী কৃষ্ণ দাস। এক্কেবারে ভিন্ন ধর্মী খাদ্যাভাসের জন্যে তিনি আবারও সংবাদের শিরোনামে। জানা যায় তিনি আড়াই বছর ভাত ছুঁয়েও দেখেননি। কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, মেয়ের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল আশানুরূপ না হওয়ায় প্রায় আড়াই বছর ভাত খাওয়া ছেড়ে দেন তিনি। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই সংযম বজায় রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ফ্রিজারে বরফের পাহাড়…? এই ‘১০ মিনিটের’ তুক শিখে নিন, নিমেষে গলিয়ে দেবে ইটের মতো শক্ত বরফ!
এখনও প্রায় ভাত ছাড়াই প্রচার কার্য চালাচ্ছেন জলপাইগুড়ি সদরের তৃণমূল প্রার্থী। গাড়িতে সবসময় মজুত থাকে ড্রাইফুট, বাদাম, কিশমিশ, খেজুর আর বিভিন্ন ফল। বাইরের হোটেলে খাওয়া তিনি এড়িয়ে চলেন, বরং এই হালকা খাবারেই সারেন দিনের বেশিরভাগ সময়। ড্রাইফুট আর সংযমেই আর পাঁচ জনের থেকে আলাদা কৃষ্ণ দাস।
তবে আরও একটি বিষয় নজর কাড়ে বটে। তাঁর বাড়ির চিত্র একেবারেই আলাদা। প্রতিদিন প্রায় একশো মানুষের জন্য রান্না হয় সেখানে। সাধারণ ডাল-ভাত, একটু তরকারি আর স্থানীয় নদীর মাছ—এই নিয়েই জমে ওঠে খাওয়া-দাওয়া। যদিও নিজে ভাত খান না, তবু “মাছে-ভাতে বাঙালি”ঐতিহ্যকে তিনি সম্মান করেন নিজের মতো করেই। আর নিজস্ব পছন্দ নিরামিষ খাবার। তবে হালকা নদীয়ালী মাছ তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে। মাংসজাতীয় খাবারের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ নেই বলেই জানিয়েছেন ঘনিষ্ঠরা।রাজনীতির ব্যস্ত ময়দানে থেকেও এমন নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও ব্যক্তিগত শৃঙ্খলা কৃষ্ণ দাসকে আলাদা করে তুলেছে।
সুরজিৎ দে





