সায়ন্তন জানান, গতকাল রাত আনুমানিক ১২টা থেকে ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ হঠাৎ কারেন্ট চলে যায়। সেই সময় বাইরে একাধিক বোম ফাটার শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যেই গুলির শব্দ বলে অনুমান করেন সায়ন্তন চক্রবর্তী। তবে অন্ধকারের কারণে বাইরে বেরিয়ে তখন বিশেষ কিছু বুঝতে না পেরে তিনি ঘরে ফিরে যান। আজ সকালে উঠে তিনি বাড়ির বাইরে গুলির চিহ্ন দেখতে পান। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোলও উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, সায়ন্তন চক্রবর্তীর বাড়ি সংলগ্ন একটি কম্পিউটার ও ফটোগ্রাফির দোকানের কাচের দরজায় গুলি লাগে। দোকানের ভেতরের কাঠের দরজাও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও বাইরে রাখা দু-টি গাড়িতেও গুলির চিহ্ন মিলেছে। যদিও এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ প্রশাসন। এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে। কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে এই গুলি চালাল—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
advertisement
আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে জলপাইগুড়ি পৌরসভার চেয়ারপার্সন সৈকত চ্যাটার্জি বলেন, “এই ধরনের অ্যান্টিসোশাল কার্যকলাপ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে পুলিশ প্রশাসন তৎপর। শহরে এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা হবে।” শহরের বুকে এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব এলাকাবাসী।






