জানা গিয়েছে, প্রয়াত ওই ছাত্রী সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। দিদার বাড়িতে থাকত ওই কিশোরী। বাড়ির সদস্যরা কাজে বাইরে ছিলেন। বাড়িতে একা ছিল ওই ছাত্রী। বাড়ির লোকজন ফিরে এসে ওই কিশোরীকে ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
advertisement
তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ইদানীং ওই কিশোরী বেশিরভাগ সময় মোবাইলে কাটাত। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পরিবারের সদস্য শ্যামলী রায় জানান, ওই কিশোরী জলপাইগুড়ি সদর বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল সেটা ভেবে বাড়ির লোক হতবাক। বেশ কিছুদিন ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেও হঠাৎ করে এই দুর্ঘটনা ঘটবে তা বাড়ির লোক আঁচ করতে পারেননি। শোকে ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার।
(DISCLAIMER:This news piece may be triggering. If you or someone you know needs help, call any of these helplines: Aasra (Mumbai) 022-27546669, Sneha (Chennai) 044-24640050, Sumaitri (Delhi) 011-23389090, Cooj (Goa) 0832- 2252525, Jeevan (Jamshedpur) 065-76453841, Pratheeksha (Kochi) 048-42448830, Maithri (Kochi) 0484-2540530, Roshni (Hyderabad) 040-66202000, Lifeline 033-64643267 (Kolkata)






