আরও পড়ুনঃ কিচেনে আর গ্যাস নেই! বিখ্যাত এই রেস্তোরাঁয় কী ঘটল জানেন? আগামী দিনে মানুষ খাবে কোথায়!
জেলা পরিষদের অধীনে থাকা সব হাটকে এবার সম্পূর্ণ অনলাইন ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের অধীনে রয়েছে মোট ৩১টি হাট। এত সংখ্যক হাটে খাজনা আদায়, লাইসেন্স নবীকরণ এবং সার্বিক তদারকি করার জন্য পর্যাপ্ত কর্মী না থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনকে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছিল। সেই সমস্যার সমাধান করতেই চালু করা হয়েছে এই ডিজিটাল পদ্ধতি। নতুন ব্যবস্থায় হাট সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য থাকবে একটি অনলাইন পোর্টালে। কোন ব্যবসায়ীর কত খাজনা বাকি রয়েছে, কার লাইসেন্স নবীকরণের সময় হয়েছে—এসব তথ্য এক ক্লিকেই জানা যাবে। পাশাপাশি কিউআর কোড স্ক্যান করলেই হাটের বিভিন্ন তথ্য সহজেই পাওয়া যাবে।
advertisement
শুধু তাই নয়, লাইসেন্স নবীকরণের সময়সীমা বা খাজনা বকেয়া থাকলে ব্যবসায়ীদের মোবাইলে সরাসরি অ্যালার্ট মেসেজও পৌঁছে যাবে। ফলে সময়মতো খাজনা জমা দেওয়া বা লাইসেন্স নবীকরণ করা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। জেলা পরিষদের অতিরিক্ত জেলা শাসক রৌনক আগরওয়াল জানান, এই অনলাইন ব্যবস্থার ফলে হাট পরিচালনায় প্রশাসনিক সময় অনেকটাই কমবে এবং খাজনা আদায়ের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হবে। পাশাপাশি পরিষেবা প্রদানে স্বচ্ছতাও বাড়বে। প্রশাসনের আশা, এই উদ্যোগে একদিকে যেমন হাট ব্যবস্থাপনা সহজ হবে, তেমনই ব্যবসায়ীরাও পাবেন আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত পরিষেবা। এখন দেখার বিষয়, এই ডিজিটাল ব্যবস্থার সুফল কতটা দ্রুত পৌঁছায় হাটের ব্যবসায়ীদের কাছে।





