দ্রুত আবেদন জমা দিয়ে তুলনামূলক কম সময়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন বলেই জানিয়েছেন অনেকে। আবেদনকারী পায়েল জানান, “আমাদের খুবই সুবিধা হল! এই রোদে-গরমে বেশি ক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হবেনা।”প্রসঙ্গত, সোমবার ট্রাইবুনালে আবেদন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রেকর্ড ভিড় হয়েছিল কাটোয়া শহরে। ব্যাপক ভিড়ের জেরে শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়। পাশাপাশি হুড়োহুড়ি ও উত্তেজনার ঘটনাও সামনে আসে। সেই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার থেকে কাউন্টার খোলার সময় এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।
advertisement
মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিয়ন্ত্রিত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া চলে কাটোয়ায়। আবেদনকারীদের বক্তব্য, আগে দীর্ঘ ক্ষণ রোদে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হত, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হত। এখন সকালেই কাউন্টার খুলে যাওয়ায় সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে। আবেদনকারী আমিনুর হক বলেন, “অনেক দূর থেকে এসেছি। সোমবার আসতে গিয়েও ভিড়ের কথা শুনে আসিনি। আজকে এসে দেখলাম তাড়াতাড়ি কাউন্টার খুলে গিয়েছে, এতে আমদের সুবিধাই হবে। প্রশাসনের এই ভূমিকায় আমরা খুশি।”
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল কড়া। মোতায়েন ছিল পুলিশ প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। লাইনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নজরদারি চালানো হয়। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে আবেদনকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলেই মনে করছেন অনেকে।





