West Bengal Assembly Elections 2026: ‘কুশাসন বাংলার শিক্ষাকে শেষ করেছে,’ তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর, তিন মন্দিরে পুজো দিয়ে স্বপন দাশগুপ্তের হয়ে প্রচার ধর্মেন্দ্র প্রধানের
- Reported by:BISWAJIT SAHA
- news18 bangla
- Published by:Satabdi Adhikary
Last Updated:
বাংলায় কতগুলি আসন পাওয়ার আশা করছেন—এই প্রশ্নের উত্তরে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “আমরা বড় ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতার আশা করছি। সারা দেশে বিভিন্ন নির্বাচনের প্রচারে ঘুরছি, আর গত দশ দিন ধরে বাংলায় আছি। এখানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি সমর্থন ক্রমশ বাড়ছে এবং বিস্তৃত জনভিত্তি তৈরি হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানেই বিজেপি জয়ী হবে।”
রাসবিহারী কেন্দ্রে বিজেপির প্রচার। কালীঘাট মন্দির থেকে বেরিয়ে কালীঘাট এলাকাতেই প্রচার শুরু করলেন ধর্মেন্দ্রপ্রধান। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত। গুরুপদ হালদার রোডে বাড়ি বাড়ি ও পথে প্রচার সারেন তাঁরা৷ এদিন কালীঘাট মন্দিরের পাশাপাশি নকুলেশ্বর শিব মন্দির এবং জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
advertisement
মা কালীর কাছে কী চাইলেন? উত্তরে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘‘আজ মায়ের কাছে পূজো দেওয়ার সৌভাগ্য হল আমাদের সকলের। রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত লেখক এবং চিন্তাবিদ সাংবাদিক। বাংলার মানুষ পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছেন। এই ধরনের ব্যক্তিত্বের হাত ধরেই পরিবর্তন আসবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশাসনের শেষ নিশ্চিত। ভয় মুক্ত বাংলা চাই। যুবকদের জন্য চাকরি চাই। মহিলাদের জন্য নিরাপত্তা চাই। অনুপ্রবেশকারী নয়, বাঙালিদের রাজ চাই। এইজন্য ভারতের জনতা পার্টি আজ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে। বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। রাসবিহারীতে স্বপন দাশগুপ্ত অনেক মার্জিনে জিতবেন। মায়ের আশীর্বাদ আছে আমাদের ওপর, বাংলার উপর, বাংলায় এবার পরিবর্তন হবেই।’’
advertisement
শিক্ষা প্রসঙ্গে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘‘বাংলা একসময়ের শিক্ষা সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র ছিল। স্বামী বিবেকানন্দ রবীন্দ্রনাথ কিংবা যোগীরাজ অরবিন্দ। এদের জন্য বাংলার শিক্ষা দেশকে নেতৃত্ব দিত। প্রথমে বামেদের তিন দশকের শাসন এবং পরে ১৫ বছরের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশাসন বাংলার শিক্ষাকে শেষ করেছে। আমরা দিল্লি থেকে মিড ডে মিলের জন্য পয়সা পাঠিয়েছি বই এবং পোশাকের জন্য পয়সা পাঠিয়েছি। সেই সব পয়সা গোলমাল করে পার্টি বাজিতে খরচ করা হয়েছে। বাংলা শিক্ষাকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। পয়সা নিয়ে নিয়োগ হয়েছে। এই সমস্ত দুর্নীতি আমাদের সরকার বন্ধ করে দেবে।’’
advertisement
advertisement
advertisement
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে প্রায় ৯০ লাখ নাম৷ এবিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘‘এস আই আর একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। দেশের অনেক রাজ্যেই এর আগেও হয়েছে। কংগ্রেসের আমলেও এস আই আর হয়েছে। এস আই আর প্রক্রিয়ায় আমরা একটাই প্রশ্ন তুলতে চাই। বাংলায় কাদের ভোট হওয়া উচিত? অনুপ্রবেশকারীদের ভোট হওয়া উচিত নাকি বাংলা ভাষাভাষীদের ভোট হওয়া উচিত? বাংলার রাশ অনুপ্রবেশকারীদের হাতে থাকবে না বাঙ্গালীদের হাতে থাকবে? এস আই আর এ সমস্যা হচ্ছে কেন! এটা একটা সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, যারা ভারতের নাগরিক তাদের ভোট কাটছে না। যারা ভারতের বাইরের অনুপ্রবেশকারী তাদের নামই কাটছে।’’








