advertisement

Kidney Disease: কোলেস্টেরল কমানোর এই ওষুধ-ই চুপচাপ বিকল করছে কিডনি, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ গবেষকদের

Last Updated:
কোলেস্টেরলের চিকিৎসায় স্ট্যাটিন গোষ্ঠীর ওষুধ ব্যবহার করা হয়! কিন্তু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহারে বারোটা বাজে কিডনির
1/6
Kidney Disease: কোলেস্টেরল কমানোর এই ওষুধ-ই চুপচাপ বিকল করছে কিডনি, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ গবেষকদের
Kidney Disease: কোলেস্টেরল কমানোর এই ওষুধ-ই চুপচাপ বিকল করছে কিডনি, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ গবেষকদের
advertisement
2/6
স্ট্যাটিন লিভারের একটি এনজাইমের কাজে বাধা দেয়, যা কোলেস্টেরল উৎপাদনের জন্য দায়ী। তাই যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই শ্রেণীর ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন অনেক চিকিৎসকই। 
গবেষণায় দেখা গেছে, খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং হার্টের অসুখ রুখতে চিকিৎসকেরা প্রায়ই স্ট্যাটিন গোষ্ঠীর ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। 

তবে আমেরিকার খ্যাতনামা “Johns Hopkins Bloomberg School of Public Health”-এর গবেষক ডা. জুং-ইম শিনের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি গবেষণায় এই ওষুধ সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
স্ট্যাটিন লিভারের একটি এনজাইমের কাজে বাধা দেয়, যা কোলেস্টেরল উৎপাদনের জন্য দায়ী। তাই যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই শ্রেণীর ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন অনেক চিকিৎসকই।গবেষণায় দেখা গেছে, খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং হার্টের অসুখ রুখতে চিকিৎসকেরা প্রায়ই স্ট্যাটিন গোষ্ঠীর ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন।তবে আমেরিকার খ্যাতনামা “Johns Hopkins Bloomberg School of Public Health”-এর গবেষক ডা. জুং-ইম শিনের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি গবেষণায় এই ওষুধ সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
advertisement
3/6
গবেষণার রিপোর্ট ২০২২ সালের জুলাই মাসে বিখ্যাত চিকিৎসাবিষয়ক জার্নাল “Journal of the American Society of Nephrology (JASN)”-এ প্রকাশিত হয়। এই গবেষণায় বলা হয়েছে, এই ওষুধটি হৃদযন্ত্রের জন্য যেমন উপকারী, তেমনই প্রাথমিকভাবে কিডনির জন্যও উপকারী। কিন্তু গবেষণাও এও দেখা গিয়েছে, বহু বছর ধরে স্ট্যাটিন খেলে কিডনির সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এই গবেষণায় প্রায় ৮.৪ বছর ধরে ৪০,০০০-এরও বেশি রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
গবেষণার রিপোর্ট ২০২২ সালের জুলাই মাসে বিখ্যাত চিকিৎসাবিষয়ক জার্নাল “Journal of the American Society of Nephrology (JASN)”-এ প্রকাশিত হয়। এই গবেষণায় বলা হয়েছে, এই ওষুধটি হৃদযন্ত্রের জন্য যেমন উপকারী, তেমনই প্রাথমিকভাবে কিডনির জন্যও উপকারী। কিন্তু গবেষণাও এও দেখা গিয়েছে, বহু বছর ধরে স্ট্যাটিন খেলে কিডনির সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এই গবেষণায় প্রায় ৮.৪ বছর ধরে ৪০,০০০-এরও বেশি রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
advertisement
4/6
সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হল, যারা উচ্চ মাত্রায় স্ট্যাটিন শ্রেণীর ওষুধ ব্যবহার করেন, তাদের কিডনি ফেলিওরের ঝুঁকি প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। কিডনি পুরোপুরি বিকল হলে ডায়ালিসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হয়। দেখা গিয়েছে, যাঁরা স্ট্যাটিন শ্রেণীর ওষুধ খান না, তাঁদের তুলনায়, যাঁরা স্ট্যাটিন শ্রেণীর ওষুধ খান, তাঁদের মধ্যে তিনটি নির্দিষ্ট সমস্যার ঝুঁকি বেশি! কী কী?
সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হল, যারা উচ্চ মাত্রায় স্ট্যাটিন শ্রেণীর ওষুধ ব্যবহার করেন, তাদের কিডনি ফেলিওরের ঝুঁকি প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। কিডনি পুরোপুরি বিকল হলে ডায়ালিসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হয়। দেখা গিয়েছে, যাঁরা স্ট্যাটিন শ্রেণীর ওষুধ খান না, তাঁদের তুলনায়, যাঁরা স্ট্যাটিন শ্রেণীর ওষুধ খান, তাঁদের মধ্যে তিনটি নির্দিষ্ট সমস্যার ঝুঁকি বেশি! কী কী?
advertisement
5/6
অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি (AKI): হঠাৎ করে কিডনি বিকল বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা (৩০% বেশি ঝুঁকি)ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD): দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা যেখানে কিডনি স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না (৩৬% বেশি ঝুঁকি)

কিডনির প্রদাহ: নেফ্রাইটিস বা রেনাল স্ক্লেরোসিসের মতো সমস্যা (৩৫% বেশি ঝুঁকি)
অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি (AKI): হঠাৎ করে কিডনি বিকল বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা (৩০% বেশি ঝুঁকি)ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD): দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা যেখানে কিডনি স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না (৩৬% বেশি ঝুঁকি)কিডনির প্রদাহ: নেফ্রাইটিস বা রেনাল স্ক্লেরোসিসের মতো সমস্যা (৩৫% বেশি ঝুঁকি)
advertisement
6/6
গবেষকরা মনে করছেন, নিয়ন্ত্রিত চিকিৎসা পরীক্ষায় স্বল্পমেয়াদে যে উপকারিতা দেখা যায়, বাস্তব জীবনে দীর্ঘ ১০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে এই ওষুধ ব্যবহার করলে তার প্রভাব ভিন্ন হতে পারে। 

গবেষকরা এটাও স্পষ্ট করেছেন, এর মানে এই নয় যে স্ট্যাটিন নিশ্চিতভাবেই কিডনির রোগ সৃষ্টি করে! বরং এটি একটি পরিসংখ্যানগত সম্পর্ক, যা নিয়ে আরও গবেষণা ও মনোযোগ প্রয়োজন।
গবেষকরা মনে করছেন, নিয়ন্ত্রিত চিকিৎসা পরীক্ষায় স্বল্পমেয়াদে যে উপকারিতা দেখা যায়, বাস্তব জীবনে দীর্ঘ ১০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে এই ওষুধ ব্যবহার করলে তার প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।গবেষকরা এটাও স্পষ্ট করেছেন, এর মানে এই নয় যে স্ট্যাটিন নিশ্চিতভাবেই কিডনির রোগ সৃষ্টি করে! বরং এটি একটি পরিসংখ্যানগত সম্পর্ক, যা নিয়ে আরও গবেষণা ও মনোযোগ প্রয়োজন।
advertisement
advertisement
advertisement