কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে, বাদাম চাষে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হল সঠিক পদ্ধতি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞান। সেই লক্ষ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে রামসাই কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র। এখানকার বিজ্ঞানীরা বাদাম চাষে আগ্রহী কৃষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। মাটি পরীক্ষা থেকে শুরু করে বীজ নির্বাচন, সার প্রয়োগের সঠিক মাত্রা ও আধুনিক চাষ পদ্ধতি—সবকিছু নিয়েই দেওয়া হচ্ছে স্পষ্ট ধারণা।
advertisement
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকদের কথায় উঠে আসছে বদলের ছবি। আগে অতিরিক্ত সার ও খরচ করেও আশানুরূপ ফলন মিলত না। এখন খরচ কমেছে, ফলন বেড়েছে, আর বাজারে বিক্রি করেও মিলছে ভাল দাম। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কৃষকদের মুখে ফিরছে হাসি। জানা গিয়েছে, বর্তমানে জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ১০০ হেক্টর জমি বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উন্নত মানের বাদাম চাষের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে, লাল ও সাদা—দুই ধরনের বাদামেরই আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। তবে সাদা বাদাম চাষে ফলন তুলনামূলক বেশি এবং প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রেও বাজারদর ভাল। বাদাম চাষে আগ্রহী কৃষকেরা রামসাই কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে যোগাযোগ করে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। সঠিক জ্ঞান, পরিকল্পনা ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাদাম চাষ যে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন আশার আলো জ্বালাচ্ছে, তা আজ জলপাইগুড়ির মাঠেই চোখে পড়ছে।





