advertisement

Zamindar House: তিন ভাইয়ের তৈরি বিশাল প্রাসাদে এখন শুধুই হাহাকার, ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে ২০০ বছরের ইতিহাস! দশা দেখে চোখে জল আসবে

Last Updated:

East Medinipur Zamindar House: ২০০ বছরের প্রাচীন পটাশপুরের রামচন্দ্রপুর জমিদার বাড়ি।। গ্রামের মধ্যে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ভগ্নপ্রায় এই জমিদার বাড়ি। অবহেলায আর সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে ইতিহাস।

+
সংরক্ষণ

সংরক্ষণ ও পরিচর্চার অভাবে ভগ্নপ্রায় রামচন্দ্রপুর জমিদার বাড়ি 

পটাশপুর, মদন মাইতি: ২০০ বছরের প্রাচীন জমিদার বাড়ি। গ্রামের মধ্যে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ভগ্নপ্রায় এই জমিদার বাড়ি। সকলের নজর এড়িয়ে নীরব ২০০ বছরের প্রাচীন এই স্মৃতি। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুরের রামচন্দ্রপুর জমিদার বাড়ি। আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে এখানে জমিদারিত্ব স্থাপন করেন তৎকালীন জমিদার মতিলাল নায়েক, হীরালাল নায়েক ও ঝাটুলাল নায়েক। তাঁরা ছিলেন তিন ভাই। প্রায় সাড়ে আট বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠে এই জমিদার বাড়ি।
সেই সময় তৈরি হয় বিশাল প্রাসাদসম অট্টালিকা। নির্মাণ করা হয় বিষ্ণু মন্দির। এলাকায় তখন এই জমিদার বাড়ির বেশ প্রভাব ছিল। গ্রামবাসীদের কাছে এই বাড়ি ছিল ক্ষমতা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। স্থানীয় ইতিহাসবিদ পার্থ দাস মহাপাত্রের মতে, রামচন্দ্রপুর, কৈথড় ও গোকুলপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় এই জমিদার পরিবারের প্রভাব ছিল। মূলত কর আদায়ের সুবিধার জন্য পটাশপুরের রামচন্দ্রপুরে জমিদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেন এই তিন ভাই। সেই সময় জমিদার বাড়িকে কেন্দ্র করে এলাকায় তাদের জমিদারিত্ব চলত। জমিদারদের উদ্যোগেই শিক্ষা ও ধর্মীয় কার্যকলাপের প্রসার ঘটেছিল।
advertisement
আরও পড়ুন: ডাকাতির চেষ্টায় হাঁসুয়ার কোপ, প্রাণ বাঁচানোর জন্য ছুটতেই জুটল ছেলেধরা অপবাদ! ভুল বোঝাবুঝিতে রক্তারক্তি হওয়ার উপক্রম, থানায় ঢুকে শেষরক্ষা 
এই পরিবারের উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠিত হয় এগরা ঝাটুলাল হাইস্কুল। শিক্ষাক্ষেত্রে এই বিদ্যালয় আজ সুনাম অর্জন করেছে। জমিদারদের উদ্যোগেই এখানে প্রতিষ্ঠা করা হয় বিষ্ণু মন্দির। নিয়মিত পুজো হত সেই মন্দিরে। মন্দিরের পুজোর দায়িত্বে ছিলেন রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী ও রাখাল চন্দ্র। তাঁদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এই মন্দিরের সেবাযত্ন করতেন। পরবর্তীকালে রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী ও রাখাল চন্দ্র এই জমিদারি কিনে নেন। ধীরে ধীরে জমিদারি প্রথার অবসান ঘটে।
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় পরিস্থিতি। একসময়ের বিশাল স্থাপত্যে জমিদার বাড়ি ধীরে ধীরে হারিয়েছে তার জৌলুস। বর্তমানে এই জমিদার বাড়ি ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে। অনেক জায়গায় খসে পড়ছে পলেস্তারা। পুরনো দেওয়ালে ধরেছে ফাটল। কোথাও আবার ভেঙে পড়েছে দেওয়ালের অংশ। কিছু অংশের শুধু চিহ্নমাত্র রয়েছে। চারপাশে নীরবতা আর অবহেলার চিহ্ন স্পষ্ট। গ্রামের অনেক তরুণই আজ এই জমিদার বাড়ির ইতিহাস জানেন না। অথচ একসময় গ্রামে এই জমিদার বাড়ির প্রভাব ছিল কত। ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও গ্রামের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই প্রাচীন জমিদার বাড়ি।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Zamindar House: তিন ভাইয়ের তৈরি বিশাল প্রাসাদে এখন শুধুই হাহাকার, ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে ২০০ বছরের ইতিহাস! দশা দেখে চোখে জল আসবে
Next Article
advertisement
আর চিন্তা নেই, শুক্রবারেই দেশে ফিরছেন শুভশ্রী-ইউভান! এয়ারপোর্টে আনতে যাবেন স্বামী রাজ চক্রবর্তী
আর চিন্তা নেই, শুক্রবারেই দেশে ফিরছেন শুভশ্রী-ইউভান! এয়ারপোর্টে আনতে যাবেন স্বামী রাজ
  • দুবাইয়ে আটকে পড়েছিলেন শুভশ্রী ও ছেলে ইউভান

  • শুক্রবার দেশে ফিরছেন তাঁরা

  • শুভশ্রী ও ইউভানকে আনতে এয়ারপোর্টে যাবেন স্বামী রাজ চক্রবর্তী

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement