উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে সাগরে পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবার, দ্বারস্থ হয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের।সাগর ব্লকের ধসপাড়া সুমতিনগর-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের একজন এবং মুড়িগঙ্গা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের চকফুলডুবি এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা কর্মসূত্রে দুবাইতে থাকেন। তাঁরা সেখানে বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করেন। পরিবারকে জানানো হয়েছে, বর্তমান যুদ্ধের আবহে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। দুবাইতে কেউ কাজেও বার হতে পারছেন না। এমনকী ঘরের বাইরে বেরোনোও বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাঁদের।
advertisement
সাগর ব্লক প্রশাসনের নির্দেশে খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম। গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সন্দীপ পাত্র বলেন, ওই সমস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী তথা সাগরের বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার নির্দেশে আটকে থাকা যুবকদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিয়মিত যুবকদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
বিডিও কানাইয়া কুমার জানিয়েছেন, ‘সাগর ব্লকের সাতজন বাসিন্দা দুবাইতে থাকেন। তাঁদের বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে পরিবারগুলি প্রশাসনকে জানিয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে।’
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দুবাইয়ে আটকে পড়া দীপক চন্দ্র আর্য ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তবে সেখানকার উত্তপ্ত পরিস্থিতির বর্ণনা শুনে দীপকের পরিবার আতঙ্কে দিশেহারা। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তা ছড়িয়েছে সাগরের বেগুয়াখালি, মন্দিরতলা এবং চকফুলডুবি এলাকাতেও। জানা গিয়েছে, সাগরের এই সমস্ত এলাকা থেকে কর্মসূত্রে দু’জন কুয়েত ও দু’জন আবু ধাবিতে আটকে রয়েছেন। প্রিয়জনদের নিরাপত্তায় প্রশাসনের কাছে কাতর আবেদন জানিয়েছে উদ্বিগ্ন পরিবার।






