তার সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি রেল মন্ত্রকের এই অনুমোদন পত্রটি প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘ দিন ধরেই সাংসদের তরফে চেষ্টা চালান হচ্ছিল বনগাঁ থেকে বাগদা রেলপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করার। বিষয়টি নিয়ে তিনি রেলমন্ত্রীর কাছেও দরবার করেন। একসময় পূর্ব রেলের তরফ থেকে তৎপরতা শুরু হলেও, পরবর্তীতে জমি জটের কারণে তা থমকে যায়। তবে এদিন রেল মন্ত্রকের ঘোষণায় রীতিমতো উচ্ছ্বসিত বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের মানুষজন।
advertisement
রেল সূত্রে খবর, ২০০৯ সালে ৫৭ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল বনগাঁ বাগদা রেল পথের জন্য। জমি জটের কারণে ২০১৯ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ফের বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের উদ্যোগে নতুন করে বিষয়টি রেলমন্ত্রীকে জানানোর কারণে, এবার দ্রুত মিলল অনুমোদন। যেখানে বনগাঁ পোড়ামহেশতলা নতুন রেললাইন, বনগাঁ-চাঁদা নতুন রেললাইন, চাঁদাবাজার-বাগদা নতুন রেললাইন, এই তিনটি রেলপথ বাস্তবায়িত হলে সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকার সঙ্গে শহরের যোগাযোগ আরও মজবুত হবে, যাতায়াতের সময় ও খরচ কমবে। ব্যবসা, কৃষি ও ছোট শিল্পে গতি আসবে পাশাপাশি ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবী মানুষের দৈনন্দিন যাত্রা অনেক সহজ হবে বলেই মনে করেন সাংসদ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে জমি জট এখনও কাটেনি আর সেই জায়গা থেকেই কেন্দ্র এখন বল ঠেলল রাজ্যের কাঁধেই। শান্তনু জানান, কেন্দ্র অনুমোদন দিলেও রাজ্য সরকার জমি দিলে তবেই বাস্তব রূপ পাবে এই রেলপথ। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজ্য এখন কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকেই তাকিয়ে। রেল মন্ত্রকের তরফে ঘোষণার পর, এই রেলপথ চালু নিয়ে আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছে সীমান্ত এলাকার মানুষজন।






