পাইকারি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আগের তুলনায় এখন ফল তুলতে অনেক বেশি পুঁজি লাগছে। পরিবহণ খরচ, আড়তের চার্জ ও আনুষঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় মূলধনের চাপ বাড়লেও বিক্রির পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছে। এক পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, “আগে যে টাকায় ফল তুলতাম, এখন তার থেকে অনেক বেশি পুঁজি লাগছে। কিন্তু সেই অনুপাতে বিক্রি হচ্ছে না। আগে দিনে যত ক্যারেট ফল বিক্রি হত, এখন তার অর্ধেকও বিক্রি হচ্ছে না।”
advertisement
অন্য আরেক পাইকারি বিক্রেতার গলাতেও শোনা গিয়েছে একই সুর। তিনি জানান, ফলের দাম বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু বাজারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রির পরিমাণ কম। খুচরো বিক্রেতারা আগের মতো মাল তুলছেন না। সবাই হিসেব করে প্রয়োজনের তুলনায় কম জিনস কিনছেন। দোকানে ফল পড়ে থাকছে, নষ্ট হওয়ার ভয়ও বাড়ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ফলের আগুন দামের প্রভাব পড়েছে খুচরো বাজারেও। খুচরো বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, ফলের দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় কম ফল কিনছেন। এক খুচরো ফল বিক্রেতা বলেন, “আগে মানুষ যেখানে ১ কেজি ফল নিতেন, এখন সেখানে হাফ কেজি নিচ্ছেন। অনেক সময় না নিয়েই চলে যাচ্ছেন। এতে আমাদের বিক্রি কমছে, তাই আমরাও পাইকারি বাজার থেকে কম ফল তুলছি।” সব মিলিয়ে, ফলের দাম বৃদ্ধি ও ক্রেতা সংকটে পাইকারি থেকে খুচরো, সব স্তরেই তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আরও বড় আর্থিক সংকটে পড়তে পারেন ব্যবসায়ীরা।





