বুধবার গোধূলি সময় তরুণোদয় ফাউন্ডেশনের হেল্পলাইন নম্বরে সুলতানপুর থেকে ফোন আসে। ওই গ্রামের বাসিন্দা কার্তিক বাইরি, সন্তু বাইরি এবং কিশোর মাইতি ঘটনার কথা জানায়। একটি পাগল হনুমান আস্তানা নিয়েছে বাইরি পাড়া ও মাইতি পাড়ার মাঝের এলাকায়। একাধিক ব্যক্তিকে কামড়, নখ দিয়ে আঁচড় কাটছে।
advertisement
এই কথা শুনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা তাদের আশ্বস্ত করেন। এদিকে বন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়, রাতেই হনুমানটি আটক করার কৌশল শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকাল হতেই বনবিভাগ কর্মী-সহ পরিবেশকর্মীরা পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।
জানা যায়, ক্ষ্যাপা হনুমানের কামড়ে আক্রান্ত ৬৫ বছর বয়সী কাঞ্চন বাইরি, চতুর্থ শ্রেণীতে পাঠরত অনীক বাইরি (১০), কৃষ্ণা বাইরি, লাল্টু বাইরি-সহ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সদস্যরা এবং বন কর্মীরা এলাকায় পৌঁছে হনুমানটির খোঁজ শুরু করে। কলা দিয়ে খাঁচা বসানো হয়, বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় হনুমানটি খাঁচায় বন্দি করা সম্ভব হয়। মানুষ আতঙ্ক মুক্ত হয়।
পরিবেশ কর্মী এবং বন দফতর হনুমানটিকে উদ্ধার করার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষজনকে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে সচেতন করে। স্থানীয়দের বোঝানো হয়, প্রত্যেক বন্যপ্রাণীর বাঁচার অধিকার আছে। তাই ওদের বিরক্ত বা হত্যা নয়, ওদের বাঁচিয়ে রাখুন। পরিবেশকে রক্ষা করুন।






