উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন পড়াশোনা না করে মোবাইলে আসক্ত পরীক্ষার্থী। এই নিয়ে মা বকাবকি করায় অভিমানে আত্মঘাতী হল ওই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। মৃত ছাত্রীর নাম রুকসোনা খাতুন (১৯)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার তাতারপুর এলাকায়। শুক্রবার মেমারি থানারই রসুলপুরে বর্ধমান ওমেন্স কলেজের এক ছাত্রী পরীক্ষার পর বাড়ি ফিরে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়। জেলা জুড়ে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তার মাঝেই এবার আত্মঘাতী হলেন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।
advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে শনিবার সকালে নিজের ঘরে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগানো অবস্থায় রুকসোনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের লোকজন। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর ঘটনার খবর পেয়ে মেমারি থানার পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়।
মৃত পরীক্ষার্থীর দাদা মইরুদ্দিন মণ্ডল জানিয়েছেন, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরেছিল রুকসোনা। তবে বাড়ি ফেরার পর পড়াশোনার বদলে মোবাইল নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করছিল। বিষয়টি নজরে আসায় মা রুকসোনাকে বকাবকি করেন। পড়াশোনায় মন দিতে বলেন।
এরপর থেকেই সে কিছুটা মনমরা হয়ে পড়ে রুকসোনা। শনিবার সকালে ঘরে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁর কোনও সাড়া না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে দরজা খুলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। অভিমানে সবার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তিনি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয় বলে প্রাথমিক তদন্তের পর অনুমান মেমারি থানার পুলিশের।
