আগে প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও শুক্রবার ডিম দেওয়া হলেও এখন কেবল সোমবার একটি আস্ত ডিম মিলছে। বাকি দিনের বরাদ্দে দেওয়া হচ্ছে অর্ধেক ডিম। অভিভাবকদের প্রশ্ন ডিমের দাম কমলে কি তবে দেড়খানা করে ডিম দেওয়া হবে? আর যে অর্ধেক ডিম দেওয়া হচ্ছে, তা কবে পূর্ণ ডিমে পরিণত হবে?
advertisement
সেন্টারের শিক্ষিকাদের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে ডিমের দাম প্রতি পিস প্রায় ন’টাকা হওয়ায় সকলকে আস্ত ডিম দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই অর্ধেক করে ডিম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই ব্যাখ্যাতেই ক্ষোভ বেড়েছে। শিক্ষিকারা দাবি করছেন, অভিভাবকরাই নাকি অর্ধেক ডিমের বরাদ্দে সই করে সম্মতি দিয়েছেন। অভিভাবকদের একাংশ এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলছেন, যথাযথ আলোচনা বা লিখিত সম্মতির বিষয়টি তাদের জানা নেই।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আরও অভিযোগ, আইসিডিএস সেন্টার সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে গেলে কাউন্সিলরের সই লাগবে, নাকি সব অভিভাবকের যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন এই নিয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। ফলে অভিযোগ জানানো কার্যত জটিল হয়ে উঠেছে। পুষ্টিকর খাদ্য শিশুদের অধিকার। এমন অবস্থায় ডিমের বরাদ্দে স্বচ্ছতা ও নিয়ম মেনে সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন অভিভাবকরা।





