দেবাংশুর কথায়, চুঁচুড়ার উন্নয়নে সবচেয়ে আগে নজর দেওয়া হবে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কারে। দীর্ঘদিন ধরে জলনিকাশির সমস্যায় ভোগা একাধিক এলাকায় নতুন করে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তিনি তুলে ধরেন আবর্জনা ব্যবস্থাপনা।
এলাকায় একটি নির্দিষ্ট ও আধুনিক গার্বেজ ফেলার জায়গা তৈরি করা, সেখান থেকে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট গড়ে তোলা, এই পরিকল্পনাকেই তিনি ভবিষ্যতের টেকসই উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেখছেন। তৃতীয় প্রাধান্য পাচ্ছে আলোর ব্যবস্থা। বিভিন্ন অন্ধকারাচ্ছন্ন পাড়া ও রাস্তা আলোকিত করার পরিকল্পনার কথা জানান দেবাংশু।
advertisement
তাঁর মতে, পর্যাপ্ত আলো শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে।তবে এই তিনটি কাজের বাইরেও হাসপাতাল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক পরিকাঠামো উন্নয়নের বিস্তৃত পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে তিনি তুলে ধরেন কর্মসংস্থান।
আরও পড়ুন- অভিযুক্ত গ্রেফতার, প্রচারে ফিরলেন শংকর ঘোষ, বনধ প্রত্যাহারের আর্জি রাজু বিস্তার
দেবাংশুর দাবি, “চুঁচুড়ার ভাইবোনদের কর্মসংস্থান যেন চুঁচুড়ার মাটিতেই হয়, সেটাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।”সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই ভোটের লড়াইয়ে নামতে চাইছেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। তবে ফলাফল কী হবে সেই অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই।






