একইসঙ্গে এই সভা থেকেই হুমায়ুন কবীর এবং অধীর চৌধুরীকেও এক প্রকার চ্যালেঞ্জ জানান তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি হুমায়ুন কবীর এবং অধীর চৌধুরীকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি—তাঁরা যেন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ জানান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্য সরকার তাঁদের নিরাপত্তা প্রদান করবে। তাঁদের যদি বিন্দুমাত্র নৈতিকতা অবশিষ্ট থাকে, তবে তাঁদের অবশ্যই এমনটা করা উচিত। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার সংখ্যালঘুদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালিয়েছে।”
advertisement
একইসঙ্গে এই সভা থেকেই দলীয় কর্মীদের জরুরি নির্দেশ দেন তিনি। তিনি বলেন, “আমাদের এখান থেকে ২২-০ করতে হবে। বিজেপিকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া চলবে না। নির্বাচন কমিশন (ECI) দায়িত্ব নেওয়ার পরেই উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বদলি করা হয়েছে। এমনটা করা হয়েছে যাতে রাম নবমীর সময় বিজেপি হিংসা ছড়াতে পারে। আমরা যখন দুর্গাপূজা বা ইদ উদযাপন করি, তখন আপনারা কি কোনো হিংসা হতে দেখেছেন? যারা অস্ত্র হাতে এবং মদ্যপ অবস্থায় রাম নবমী উদযাপন করছে, তারা ভগবান রামের ইতিহাস পড়েনি।”
এরপরেই তিনি বলেন, “আমার নজর সবার ওপরই রয়েছে। একে একটি সতর্কবার্তা হিসেবেই গণ্য করুন। আপনারা যদি কোনো একটি দলের জার্সি গায়ে দেন, তবে সেই দলের প্রতিই অনুগত থাকুন, অন্য কোনো দলের হয়ে খেলবেন না।”
তৃণমূলের জয় নিয়ে কার্যত নিশ্চিত অভিষেক। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা নিশ্চিতভাবেই জয়লাভ করব, আর ম্যাচের (নির্বাচনের) পর আপনাদের ‘রেড কার্ড’ দেখিয়ে বিদায়ের পথ দেখিয়ে দেব।”
