কখনও নিজের বাড়িতে, আবার কখনও এলাকার অন্যদের বাড়িতে বসেই তিনি শিশুদের তবলার তাল-লয়, রাগ-রীতি ও শাস্ত্রীয় সংগীতের সূক্ষ্ম দিকগুলি ধৈর্যের সঙ্গে শেখান। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের এই অমূল্য ঐতিহ্য তিনি তুলে দিচ্ছেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে।
আরও পড়ুনঃ মৎসজীবীদের অসচেতনতার জেরে বিলুপ্তির পথে গাঙ্গেয় শুশুক! ডলফিন বাঁচাতে ময়দানে মহিলা কাবাডি দল
advertisement
আদ্রার সুভাষনগরের হ্যাপ্পি কলোনির বাসিন্দা মদন চক্রবর্তী জানান, “ছোট থেকেই আমাদের বাড়িতে গান-বাজনার চর্চা ছিল। তখন থেকেই তবলা বাজানোর প্রতি এক ধরনের নেশা কাজ করত আমার মধ্যে। আজ এই ছোট ছোট বাচ্চাদের তবলা শেখাতে পেরে আমি সত্যিই খুব আনন্দ পাই। আমি যেমন পড়াশোনার পাশাপাশি তবলা শিখেছিলাম, তেমনই চেষ্টা করছি ওদেরও পড়াশোনার সঙ্গে সঙ্গে সংগীতে পারদর্শী করে তুলতে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মদনবাবুর এই নিরলস প্রচেষ্টা শুধু নতুন শিল্পী তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আগামী প্রজন্মকে শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস। নিঃস্বার্থভাবে সংগীত শিক্ষা দিয়ে মদনবাবু প্রমাণ করছেন, নিষ্ঠা আর ভালবাসা থাকলে বয়স কখনওই কোনও বাধা হতে পারে না। তাঁর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজের কাছে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।





