সভামঞ্চ থেকে মৌসম জানান, তৃণমূল তাঁকে রাজ্যসভার সদস্য এবং জেলা সভাপতি করলেও সাংসদ থাকাকালীন মালদার উন্নয়নের প্রশ্নে তিনি কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলেন। তাঁর দাবি, সংসদে মালদার স্বার্থে কোনও জোরালো আওয়াজ তুলতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে, কংগ্রেসের সাংসদ থাকাকালীন সময়ে জেলার জন্য বহু উন্নয়নমূলক কাজ করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
‘কলকাতায় হামলা করব’! ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর, কী শর্ত দিলেন তিনি?
advertisement
সুখবর! হরমুজ পেরোল ভারতীয় LPG ট্যাঙ্কার ‘গ্রিন সানভি’, কত গ্যাস নিয়ে কবে এসে পৌঁছবে?
তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে ফেরার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গে মৌসম জানান, মালদায় ফিরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে যে সমর্থন ও অভিনন্দন তিনি পেয়েছেন, তাতেই তিনি উপলব্ধি করেন যে তৃণমূলে যোগ দেওয়া তাঁর ভুল ছিল। কংগ্রেসে ফিরে তিনি রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত—দুই দিক থেকেই স্বস্তিতে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন।
তাঁর কথায়, “তৃণমূল আমাকে রাজ্যসভার সদস্য করেছিল ঠিকই। কিন্তু তৃণমূলের রাজ্যসভায় সাংসদ থাকাকালীন মালদার জন্য আমি কোনও কাজ করতে পারিনি। সংসদে মালদা নিয়ে কোনও আওয়াজও তুলতে পারিনি। অথচ, কংগ্রেস সংসদ থাকাকালীন মালদার জন্য অনেক কাজ করেছিলাম।। তৃণমূল থেকে কংগ্রেসের ফেরার পর মালদায় এলে এত মানুষ আমাকে অভিনন্দন জানাতে পৌঁছেছিলেন, তখন বুঝতে পারি আমার তৃণমূলে যোগ দেওয়া ঠিক হয়নি। কংগ্রেসকে ফিরে পরিবারেও ভাল আছি, তৃণমূল আমাকে জেলা সভাপতি করেছিল। আমি আটটি আসন জিতিয়েছিলাম। এবার যা দেখতে পাচ্ছি মালদা হয়ে তৃণমূল শূন্য হবে।”
পাশাপাশি তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দাবি করেন, জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি আটটি আসনে জয় এনে দিয়েছিলেন দলকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর মতে, মালদা জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং আসন্ন নির্বাচনে দল ‘শূন্য’ হয়ে যেতে পারে।
মৌসমের এই মন্তব্য ঘিরে মালদার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন যত এগোচ্ছে, ততই তৃণমূল ও কংগ্রেসের মধ্যে বাকযুদ্ধ তীব্র হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
