গত বছরের ২৭ জুলাই পূর্ব শত্রুতার জেরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মারিশদা থানার উত্তর কানাইদিঘী গ্রামের বাসিন্দা উত্তমকুমার দাসকে (৬৩) বেধড়ক মারধর করা হয়। অভিযোগ, গলায় নাইলনের দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে টেনে-হিঁচড়ে তাঁকে পাশের মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন গত ৩ অগাস্ট মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহতের ছেলের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৬ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে পুলিশ।
advertisement
এর আগে ৪ জন গ্রেফতার হলেও তাঁরা জামিন পেয়ে যান। আরও ৫ জন হাইকোর্ট থেকে জামিন নিলেও বাকি ৭ জন সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেও কোনও রক্ষাকবচ পাননি।
এই ৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকায় তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তাঁদের মধ্যেই ৩ জন আইনি চাপের মুখে থানায় ধরা দিলেন। মামলার বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। অন্যদিকে, ধৃতদের এদিন কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে তাঁদের জামিন নাকচ করে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
