পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একমাত্র মেডিক্যাল কলেজ হল তাম্রলিপ্ত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ। তবে এখানকার পরিষেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে। রোগীদের আত্মীয়স্বজন এবং সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সময়ে পরিষেবা এবং বাহ্যিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এবার তাম্রলিপ্ত গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক শ্রী ইউনিস ঋষিন ইসমাইল। রোগী পরিষেবা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে সহকারী অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে পিপিপি মডেলে থাকা রোগী পরিষেবা আরও বেশি করে সাইনবোর্ডে টাঙানোর নির্দেশ দেন।
advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একমাত্র মেডিক্যাল কলেজে প্রতিদিন প্রচুর রোগী আসে। এখানে যেমন হলদিয়া শিল্পাঞ্চল রয়েছে, তেমনই দিঘা-মন্দারমণি সহ একাধিক পর্যটনকেন্দ্রও আছে। ফলে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত মেডিক্যাল কলেজে এসে রোগীরা চিকিৎসা করাতে পারেন। এখানে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার নির্দেশ দেন জেলাশাসক।
এদিকে মেডিকেল কলেজ থাকার কারণে বহির্বিভাগে রোগীদের চাপ অনেকটাই বেশি। সেই কারণে চিকিৎসকদের আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন জেলাশাসক। তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজের এমএস ভিপি মৃণালকান্তি কুণ্ডু জানিয়েছেন, “জেলাশাসক পরিদর্শন করেছেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসক পরিষেবা সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের ডিম্যান্ড ওনাকে বলেছি, উনি সেগুলি দেখবেন বলেছেন।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জানা যাচ্ছে, চিকিৎসার জন্য যা যা জিনিস দরকার, সেগুলি স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে কথা বলে আনার চেষ্টা হবে। স্টাফদের আরও বেশি করে সতর্ক থাকার কথা বলেন জেলাশাসক। সেই সঙ্গেই মেডিক্যাল কলেজ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য তাম্রলিপ্ত পৌরসভার সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। সব মিলিয়ে, মেডিক্যাল কলেজের পরিষেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে জেলাশাসক একাধিক নির্দেশ দেন। এরপরেই হাসপাতালের পরিষেবার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। ফলস্বরূপ খুশি সাধারণ মানুষ।





