দুর্গন্ধ ও আবর্জনায় নাজেহাল যাত্রী থেকে বাস চালক সবাই। সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি ঢুকলেই প্রতিদিন দিতে হয় টাকা। কিন্তু নেই কোনও পরিষেবা। হেলদোল নেই প্রশাসনের। মেচেদা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড একদিকে জেলার প্রবেশদ্বার। অন্যদিকে রেলপথ এবং সড়ক পথের জেলার মূল যোগাযোগ কেন্দ্র। পূর্ব মেদিনীপুরের যাতায়াতের প্রধান এই মেচেদা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড। প্রতিনিয়ত কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এই মেচেদা সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড দেখভাল করেন তমলুকের এসডিও। কিন্তু যেভাবে নোংরা আবর্জনা হয়ে রয়েছে, তা দেখে ক্ষুব্ধ গাড়িচালক ড্রাইভার থেকে নিত্যযাত্রীরা ক্ষুব্ধ।
advertisement
এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক দুর্গাপদ মাসান্ত, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রবেশদ্বার মেচেদা। মেচেদা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড যেন আবর্জনার পাহাড় হয়ে উঠেছে। দুর্গন্ধে টেকা যায় না। সর্বত্র দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে। এক কথায় আবর্জনা মাড়িয়ে মানুষজনদের যাতায়াত করতে হচ্ছে।” অন্যদিকে এক গাড়িচালক জানিয়েছেন, “সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে বাস বা অন্য গাড়ির জন্য পার্কিং ফি দিতে হচ্ছে। তারপরও পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। পরিষ্কার হয়নি চারপাশ। এছাড়াও অন্যান্য পরিষেবা না থাকার মতই।
প্রশাসনের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে আমাদের।” প্রতিনিয়ত নোংরা আবর্জনা দুর্গন্ধে ভরা গোটা বাসস্ট্যান্ড। কিন্তু প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই। বাসস্ট্যান্ডের সামনে রয়েছে পান আড়ত। এবং পাইকারি মাছের আড়ত। প্রতিদিন কয়েকশো পাইভেট গাড়ি এবং কয়েকশো বাস যাতায়াত করে। প্রতিদিন গাড়ি ঢুকলে দিতে হয় ট্যাক্স। বাসস্ট্যান্ড পরিষ্কারের জন্য রয়েছেন সাতজন ঝাড়ুদার। ঝাড়ুদারদের অভিযোগ, যারা নোংরা আবর্জনা নিয়ে যেত তারা কাজ করছে না।। কেন করছে না জানি না।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাস কর্মীদের অভিযোগ সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে ঢুকতে হলে টাকা দিতে হয়। কিন্তু পরিষ্কার কোথায়। প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলেছেন নিত্যযাত্রীরা। মেচেদার শুধু বাসস্ট্যান্ড নয় সর্বত্রই নোংরা আবর্জনার ছড়াছড়ি। একপ্রকার দুর্গন্ধ মাড়িয়েই জেলায় প্রবেশ করতে হয়। প্রশাসন সূত্রে খবর, দ্রুতই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





