তমলুকের ময়না এলাকার এই নদীতে বছরভর জল থাকে না। সারা বছরে মাত্র তিন-চার মাস জল থাকে। আষাঢ়-শ্রাবণের সময় চন্ডিয়া নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে যায়। কিন্তু বাকি সময় জলহীন এই নদীতেই চলে কৃষিকাজ, চাষাবাদ। সেই হলুদ-সবুজ শস্যক্ষেত্র দেখলে মন ভরে যায়।
advertisement
পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের শেষ সীমানা দিয়ে বয়ে গিয়েছে এই চন্ডিয়া নদী। একটু দূরেই মিলেছে হলদি এবং কাঁসাই নদী। তমলুকের ময়নার এই অংশে এসে নাম নিয়েছে চন্ডিয়া। জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র- এই তিন-চার মাস বৃষ্টির কারণে এই নদীতে জল থাকে। সেই সময় নদীর জল ফুলে ফেঁপে বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে যায়। কখনও আবার রাজ্য সড়কের উপর হাঁটুসমান জলও জমে যায়। এই সময়টা কৃষকরা কোনও চাষ করতে পারেন না।
বছরের বাকি সময় এই নদীতেই চাষাবাদ করেন ময়না, বলাইপণ্ডা, ঢেউ ভাঙা, চকচন্ডী সহ বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষিজীবী মানুষজন। ক্লান্তি দূর করতে চারিদিক সবুজে ঘেরা হলুদ সর্ষে ফুলের রূপ দেখতে, ছবি তুলতে এবং আনন্দ নিতে দূর বহু মানুষ এখানে ভিড় করেন।
