এই হস্ত তাঁত মেলার আয়োজন করা হয়েছে কাঁথির অরবিন্দ স্টেডিয়ামে। বিশাল মাঠ জুড়ে সাজানো হয়েছে একের পর এক স্টল। ৩০ টিরও বেশি স্টল রয়েছে। প্রতিটি স্টলেই রয়েছে আলাদা আলাদা নকশার শাড়ি। কোথাও হালকা রঙের সূক্ষ্ম তাঁত। কোথাও আবার ভারী কাজের বেনারসি। সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য যেমন রয়েছে সস্তা শাড়ি, তেমনই রয়েছে উৎসবের জন্য বিশেষ শাড়িও। কেউ কিনছেন নিজের জন্য। কেউ কিনছেন উপহার দেওয়ার জন্য। মেলায় এসে এক জায়গায় এত ধরনের তাঁতের শাড়ি দেখে খুশি তাঁত প্রেমীরা।
advertisement
আরও পড়ুন: দুর্গাপুর যাওয়ার দিন শেষ, বাঁকুড়ায় খুলছে আধুনিক ‘ডোম’ থিয়েটার! কী কী সুবিধা থাকছে, এখনই দেখে রাখুন
প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে মেলার অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের আধিকারিকরাও। ডিস্ট্রিক্ট হ্যান্ডলুম এক্সপো নামেই এই মেলার পরিচিতি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁতশিল্পীরা তাঁদের তৈরি শাড়ি নিয়ে হাজির হয়েছেন। এতে যেমন তাঁতশিল্পীরা উপকৃত হচ্ছেন, তেমনই ক্রেতারাও পাচ্ছেন মানসম্মত পণ্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে হস্ত তাঁত উন্নয়ন আধিকারিকের ব্যবস্থাপনায়। মূল লক্ষ্য হল তাঁতশিল্পীদের কাজকে আরও বেশি মানুষের কাছে তুলে ধরা। পাশাপাশি তাঁদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলা। বর্তমান সময়ে যখন মেশিনে তৈরি কাপড়ের দাপট বাড়ছে, তখন এই ধরনের মেলা তাঁতশিল্প বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। কাঁথির এই হস্ত তাঁত মেলা তাই শুধু কেনাকাটার জায়গা নয়। এটি বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রদর্শনী।





