এই যুবকরা নিজেরাই মাটির হাঁড়ি সংগ্রহ করেছে। সেই হাঁড়ির ভিতরে পাখিদের বাসা তৈরির উপযোগী প্রাকৃতিক সামগ্রী রাখা হয়েছে। শুকনো ঘাস, খড়, ছোট ডালপালা দিয়ে ভরা হয়েছে কলসির ভিতর। এরপর শহরের বিভিন্ন এলাকায় গাছের ডালে ডালে সেই মাটির হাঁড়ি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রতিটি হাঁড়ির পাশে রাখা হয়েছে পাখিদের খাবার ও পানীয় জল। যাতে খাদ্যের অভাবে কোনও পাখিকে সমস্যায় পড়তে না হয়। ব্যস্ত কাজের ফাঁকে তারা দেখিয়ে দিচ্ছে পরিবেশ রক্ষার আসল মানে।
advertisement
এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে আরও সংগঠিত রূপ দিতে তারা একটি সংগঠন গড়ে তুলেছে। সংগঠনের নাম রাখা হয়েছে ‘কাঁথি লিও ক্লাব’। এই কাজে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে কাঁথি শহরের অন্যতম রাজদূত ব্যায়ামাগার। যৌথভাবে তারা এই কর্মসূচি চালাচ্ছে। সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন, এটি কোনও একদিনের কর্মসূচি নয়। নিয়মিতভাবে তারা শহরের বিভিন্ন গাছে মাটির হাঁড়ি বেঁধে দেবে। পাশাপাশি হাঁড়িগুলির দেখভাল করা হবে। কোনও হাঁড়ি ভেঙে গেলে বা নষ্ট হলে তা বদলে দেওয়া হবে। পাখিদের খাবার ও জল নিয়মিত দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই উদ্যোগের মাধ্যমে কাঁথি শহরের যুব সমাজকে এক নতুন বার্তা দিচ্ছে তারা। উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখাও যে জরুরি, সেটাই বোঝাতে চাইছে এই যুবক দল। তাদের দাবি, শহরের প্রতিটি গাছে যদি এমন একটি করে পাখির বাসা তৈরি করা যায়, তাহলে আবার ফিরবে পাখির কলরব। শহর হবে আরও প্রাণবন্ত। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই কাজ করার স্বপ্ন দেখছে কাঁথি লিও ক্লাব। তাদের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে শহরবাসীর মধ্যে।





