এই অনাথ আশ্রমের অধীনে পরিচালিত হয় পাঁউশি খগেন্দ্র শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। এই শিক্ষা কেন্দ্রে বর্তমানে প্রায় ২৬০ জন শিশু পড়াশোনা করে। অনাথ আশ্রমের ছেলে-মেয়েদের পাশাপাশি আশপাশের গ্রামের শিশুরাও এখানে পড়াশোনা করে। এতদিন চিরাচরিত পদ্ধতিতে পড়াশোনা চলত। খাতা-কলম আর ব্ল্যাকবোর্ডই ছিল ভরসা। এবার সেই ছবিটাই বদলে গেল। শুরু হল ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পড়াশোনা। পড়ুয়ারা আগ্রহের সঙ্গে চোখের সামনে ছবি দেখে শিখছে সবটা।
advertisement
আরও পড়ুন: সরকারি দফতরে উলটপুরাণ, বিডিও’র অফিসে ঢুকতে লাগে না অনুমতি! ‘এই’ সাইনবোর্ড দেখে খুশিতে গদগদ মানুষ
ডিজিটাল ক্লাসরুমে বসানো হয়েছে স্মার্ট টিভি। রয়েছে ইন্টারনেটের ব্যবস্থা। রয়েছে ল্যাপটপ ও কম্পিউটার। ক্লাসঘরের দেওয়ালে আঁকা হয়েছে নানা রকমের রঙিন চিত্র। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতি আকর্ষণ আঁকা হয়েছে। ছবি শিশুদের মন টানতেই এই সাজ। অডিও ভিজুয়ালের মাধ্যমে পড়ানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়। ভিডিও, ছবি ও অ্যানিমেশনের সাহায্যে পাঠ বোঝানো হচ্ছে। ফলে পড়াশোনা আরও সহজ হয়ে উঠছে। শিশুরাও আনন্দের সন্দে শিখছে সবটা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই ডিজিটাল শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে পাশে দাঁড়িয়েছে হলদিয়া পেট্রো কেমিক্যালস লিমিটেড। তাদের সহায়তাতেই এই আধুনিক ক্লাসরুম গড়ে উঠেছে অনাথ আশ্রম পরিচালিত স্কুলে। শিক্ষাবিদদের মতে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করলে পড়ুয়াদের মনোযোগ বাড়ে। বিষয় বুঝতে সুবিধা হয়। শেখার প্রতি আগ্রহও বৃদ্ধি পায়। শিশুদের জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল ক্লাসরুম পেয়ে খুশি খুদে পড়ুয়ার।





