কারণ গোলাপের সংরক্ষণ করা যেত না ঠিকমত। কিন্তু এবার সেই চিন্তা নেই। ভ্যালেন্টাইন্স ডে উপলক্ষে গোলাপ সংরক্ষণের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে জেলায়। পাঁশকুড়ার নারান্দা এলাকায় চালু হচ্ছে সরকারি হিমঘর। ভালবাসা দিবসের আগে খুশির হাওয়া গোলাপ চাষিদের মনে।
advertisement
সাধারণত ভ্যালেন্টাইন্স ডে-এর দিন চড়া দামে বিক্রি হয় গোলাপ। খোলা বাজারে এক একটি গোলাপ ১০ থেকে ১৫ টাকা দামে বিক্রি হয় ওই দিন। কিন্তু এই দাম পেত না ফুল চাষিরা। কারণ আগে থেকে গোলাপ সংরক্ষণের কোনও সুযোগ ছিল না পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। কিন্তু চলতি বছর সেই সুযোগ রয়েছে ফুল চাষিদের কাছে। কারণ সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একমাত্র ফুল রাখার হিমঘর চালু হয়েছে। ফলে গোলাপ সংরক্ষণ করতে এখন থেকেই চাষিদের মধ্যে হুড়োহুড়ি লেগেছে। এখন থেকে গোলাপ সংরক্ষণ চাষিদের বাড়তি লাভ দেবে বলেই আশা করছেন চাষিরা।
এ বিষয়ে এক গোলাপ ফুল চাষি জানিয়েছেন, “মাত্র ৫০ টাকার বিনিময়ে ৫০০ ফুলের প্যাকেট রাখা যাচ্ছে সরকারি হিমঘরে। এতদিন বেসরকারি বহুমুখী হিমঘরে গোলাপ সংরক্ষণ করা হত। তাতে সংরক্ষণের খরচ যেমন বেশি তেমনই গোলাপের মান ভাল থাকত না। কিন্তু সরকারি এই হিমঘর চালু হওয়ায় কম খরচে গোলাপ ফুল রাখা যাচ্ছে। এমনকি তার মান থাকছে। জেলা প্রশাসনের এই হিমঘর পাঁশকুড়া ও কোলাঘাট এলাকার গোলাপ চাষিদের ভ্যালেন্টাইন্স ডের আগে গোলাপ সংরক্ষণের সুযোগ দিয়ে মুখে হাসি ফিরিয়েছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ফুল বাজার ও হিমঘর থেকে জানা যায় ইতিমধ্যে হিমঘরের তিনটি প্রকোষ্ঠে প্রায় ভরে উঠেছে গোলাপ। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরও গোলাপ সংরক্ষণ হবে। অন্যান্য বছর গোলাপ চাষিদের গোলাপ সংরক্ষণে সমস্যায় পড়তে হত। কিন্তু এবার সরকারি হিমঘর চালু হওয়ায় গোলাপ সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। জেলাজুড়ে আনন্দের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে।
পাঁশকুড়া ও কোলাঘাটের গোলাপ ফুল চাষিরা সারা বছর গোলাপ চাষ করলেও বছরের এই সময়টার জন্য মুখিয়ে থাকেন। কারণ এই সময় চড়া দামে গোলাপ বিক্রি হয়। এতদিন গোলাপ সংরক্ষণের সুযোগ ছিল না পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। পাঁশকুড়ার নারান্দা এলাকায় সরকারি হিমঘর সেই অভাব পূরণ করেছে।





