বাচ্চাদের পরীক্ষা, রেজাল্ট, বা স্কুলের নানা কাজ নিয়ে অভিভাবকদের বিভিন্ন সময় স্কুলে আসতে হয়। কিন্তু বেশিরভাগ সময় দেখা যায় রোদে, বৃষ্টিতে, ঝড়ে স্কুলের মাঠে কিংবা বাইরে দাঁড়িয়েই তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়। তবে এবার সেই কষ্টের কথাই গুরুত্ব দিয়ে ভাবল এই স্কুল। আর সেই ভাবনা থেকেই তৈরি হল অভিভাবকদের জন্য এই নতুন অপেক্ষাগৃহ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ক্ষণিকা’।
advertisement
একটা ছোট নাম, কিন্তু ভাবনাটা বেশ বড়। বিদ্যালয়ে উপস্থিত এক অভিভাবিকা সুতপা দত্ত বলেন, “এটা সত্যিই ভাল উদ্যোগ। আমাদের এতে খুবই উপকার হবে। অপেক্ষা করার একটা নির্দিষ্ট জায়গা পেলাম।” তবে শুধু এটুকুতেই থেমে থাকেনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছে একটি সুন্দর মঞ্চ। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা গার্গী সামন্তের মা বাসন্তী সামন্ত, তাঁর স্বর্গীয়া মাতা সুহাসিনী বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই মঞ্চটি বিদ্যালয়কে উপহার দেন। এই মঞ্চেই অনুষ্ঠিত হয় পড়ুয়াদের নাচ, গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অন্যদিকে পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথাও ভাবা হয়েছে। বিদ্যালয়ে চালু হয়েছে স্মার্ট ক্লাসরুম। এবার থেকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও উন্নত শিক্ষা পাবে ছাত্রীরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা গার্গী সামন্ত বলেন, “আশা করছি স্মার্ট ক্লাসরুমে মাধ্যমে পড়ুয়ারা আরও ভালভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে এবং আরও নতুন কিছু শিখবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী। সব মিলিয়ে বলা যায় এটা শুধু একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, এটা একটা বার্তা। যেখানে শিক্ষা, সংস্কৃতি আর মানবিকতার সুন্দর মিলন ঘটেছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার কৈচর ষোড়শীবালা বালিকা বিদ্যালয় সত্যিই এক প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।





