TRENDING:

East Bardhaman News: নেই কোনও হাসপাতাল! গুরুতর রোগীকে নিয়ে ছুটতে হয় শহরে, মন্তেশ্বরে লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা আতান্তরে

Last Updated:

East Bardhaman News: মন্তেশ্বরের বিস্তীর্ণ এলাকার লক্ষাধিক মানুষের জন্য আজও গড়ে ওঠেননি পূর্ণাঙ্গ গ্রামীণ হাসপাতাল। রোগীদের ভরসা একমাত্র ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। অভিযোগ, সেখানে নেই অস্ত্রোপচারের পরিকাঠামো।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
মন্তেশ্বর, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: পূর্ব বর্ধমান জেলার গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম মন্তেশ্বর। তবে এই বিস্তীর্ণ এলাকার লক্ষাধিক মানুষের জন্য আজও গড়ে ওঠেনি একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রামীণ হাসপাতাল। ফলে সাধারণ মানুষকে ভরসা রাখতে হচ্ছে একমাত্র ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপরই।
advertisement

মন্তেশ্বর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বর্তমানে ৩০টি শয্যা রয়েছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যাও মোটামুটি সন্তোষজনক। পাশাপাশি আউটডোর পরিষেবাও নিয়মিতভাবে চালু রয়েছে। প্রতিদিন বহু রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন এবং প্রাথমিকস্তরে চিকিৎসা পরিষেবাও বেশ সুষ্ঠুভাবেই দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে সমস্যা দেখা দেয় জটিল রোগের ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুনঃ হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডে কী করবেন? ভয় না পেয়ে সহজ ‘এই’ কৌশলে কাবু করুন আগুন, মালদহ মেডিক্যাল কলেজে অগ্নি নির্বাপণের মক ড্রিল

advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা কালাচাঁদ অধিকারী, পারভেজ আলী শাহ বলেন, “আমাদের এখানে সত্যিই উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। একটা গ্রামীণ হাসপাতাল হলে ভাল হয়।” সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লাইগেশন ছাড়া অন্য কোনও বড় অপারেশনের ব্যবস্থা নেই। ফলে গুরুতর অবস্থার রোগী এলেই তাদের দ্রুত রেফার করে দেওয়া হয় কালনা বা বর্ধমানের বড় হাসপাতালে। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনই রোগী ও তার পরিবারের উপর বাড়তি মানসিক ও আর্থিক চাপ পড়ে।

advertisement

View More

আরও পড়ুনঃ চৈত্রের আকস্মিক কালবৈশাখীতে লণ্ডভণ্ড সব! এগরা-ওড়িশা রাজ্য সড়কের উপর ভেঙে পড়ল বিশাল লাইট গেট, অবরুদ্ধ যান চলাচল

প্রতিদিনের বাড়তে থাকা রোগীর চাপ এই সমস্যাকে আরও প্রকট করে তুলছে। সীমিত পরিকাঠামো নিয়ে এত বিপুল সংখ্যক রোগীর পরিষেবা দেওয়া স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও এবারের তৃণমূল প্রার্থী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেন, “আমার নিজের বিধায়ক তহবিল থেকে আমি ওখানে ৬৮ লক্ষ্য টাকা দিয়েছি। ধীরে ধীরে আরও উন্নত করা হবে।” অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী সৈকত পাঁজা আশ্বাস দেন, “আমরা ক্ষমতায় এলে গ্রামীণ হাসপাতাল করা হবে।”

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
প্রচারে বেরিয়ে হাঁটছেন মাইলের পর মাইল! ফিট থাকতে কোন জুতো বেছে নেন প্রার্থীরা? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ
আরও দেখুন

এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর একটাই দাবি, মন্তেশ্বরে একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রামীণ হাসপাতাল গড়ে তোলা হোক। স্থানীয়দের মতে, এমন একটি হাসপাতাল তৈরি হলে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা হাতের নাগালেই মিলবে। পাশাপাশি গুরুতর অসুস্থ রোগীদের আর দূরে বর্ধমান বা কালনায় ছুটতে হবে না, অনেকটাই কমবে হয়রানি ও ঝুঁকি। এখন দেখার, প্রশাসন কবে দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: নেই কোনও হাসপাতাল! গুরুতর রোগীকে নিয়ে ছুটতে হয় শহরে, মন্তেশ্বরে লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা আতান্তরে
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল