TRENDING:

East Bardhaman News: বৃন্দাবন তো অনেক ঘুরেছেন, 'গুপ্ত বৃন্দাবন' গিয়েছেন কখনও! মহাপ্রভুর পদধূলি ধন্য এই বৈষ্ণব তীর্থক্ষেত্রে লীলা করেছেন রাধাকৃষ্ণ

Last Updated:

East bardhaman Secret Vrindavan: বৃন্দাবন তো অনেক ঘুরেছেন। জানেন কি বাংলার বুকে রয়েছে একটি গুপ্ত বৃন্দাবন। বর্ধমানের কুলীনগ্রাম শ্রীচৈতন্য দেবের পদধূলি ধন্য বৈষ্ণব তীর্থস্থান হিসাবে দেশ জুড়ে পরিচিতি। এখানে রয়েছে মহাপ্রভুর পদচিহ্ন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
জামালপুর, পূর্ব বর্ধমান, সায়নী সরকার: বৈষ্ণব তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমানের এই গ্রাম। এই গ্রামেপাঁচ মাস ছিলেন নামাচার্য হরিদাস ঠাকুর এবং গ্রামের একেবারে শেষ প্রান্তে জঙ্গলে ঘেরা একটি জায়গায় তিনি উদযাপন করেছিলেন চাতুরমাস্যব্রত। পরবর্তী সময়ে এই গ্রামে আসেন শ্রী চৈতন্যদেব। এখানেই রয়েছে তার পদচিহ্ন। কথিত আছে, এই গ্রামেই দ্বাপর যুগে লীলা করেছিলেন রাধাকৃষ্ণ। তাই এই গ্রামকে বলা হয় গুপ্ত বৃন্দাবন।
advertisement

পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর ব্লকের আবুজহাটী ২ পঞ্চায়েত এলাকার ঐতিহ্যশালী গ্রাম কুলিনগ্রাম। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই গ্রামের নাম। শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের কিছু কাল আগে পূর্ব বর্ধমানের কুলীনগ্রামের ভূমিপুত্র মালাধর বসু রচনা করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য। পরবর্তী সময়ে কুলীনগ্রামে এসেছিলেন স্বয়ং শ্রীচৈতন্য দেব। এখানেই তিনি ছিলেন ৩ দিন। এমনই উল্লিখিত রয়েছে চৈতন্যমঙ্গল কাব্যে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ ডাইনোসর যুগের আগে কারা ছিল পৃথিবীতে? তিরিশ কোটি বছরের প্রাচীন ফসিল সংরক্ষিত বাঁকুড়ায়, ইতিহাসের খনি ছোট্ট এই সাদা বাড়ি

তাই কুলীনগ্রাম শ্রীচৈতন্য দেবের পদধূলি ধন্য বৈষ্ণব তীর্থস্থান হিসাবেই পরিচিতি পেয়ে আসছে দেশ জুড়ে। গ্রামের একেবারে শেষ প্রান্তে রয়েছে নামাচার্য হরিদাস ঠাকুরের আখড়া বা পাঠবাড়ি। আশ্রমিক সুন্দর গোপাল দাস বলেন, আজ থেকে প্রায় ৫৩০-৫৩৫ বছর আগে এই এলাকা ছিল জঙ্গলে ঘেরা এবং সেখানেই ছিল একটি বট বৃক্ষ। সেখানে বসেই তিন লক্ষ হরিনাম জপ করতেন হরিদাস ঠাকুর। পরবর্তী সময়ে অঘ্রাণ মাসের পূর্ণিমাতে শ্রীচৈতন্য দেব এসেছিলেন এই স্থানে এবং হরিদাস ঠাকুর ও গ্রামবাসীদের সঙ্গে পরিক্রমা করেন পুরো গ্রাম।

advertisement

View More

আরও পড়ুনঃ জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সুন্দরবনের খাঁড়িতে মাছ-কাঁকড়া সংগ্রহ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে কঠিন বাস্তব

এই গ্রামে তিনি ছিলেন তিন দিন এবং নিমবকুল তলায় বসে বিশ্রাম নিয়েছিলেন। যেখানে এখনও রয়েছে তার পদচিহ্ন। পরবর্তীকালে এখানেই গড়ে ওঠে এই আখড়া বা পাটবাড়ি। পাটবাড়ির সামনেই রয়েছে একটি ডোবা। কথিত আছে এই ডোবাতে পা ধুয়েই নিমবকুল তলায় এসেছিলেন মহাপ্রভু। তাই এই ডোবা পরিচিত গৌর ডোবা নামে।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বৃন্দাবন তো অনেক ঘুরেছেন, 'গুপ্ত বৃন্দাবন' গিয়েছেন কখনও!
আরও দেখুন

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর স্মৃতিবিজড়িত কুলীনগ্রাম আজও বৈষ্ণব ভাবধারার এক অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই সুপ্রাচীন সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে ‘আবুজহাটী’র এই ছোট্ট গ্রামটি আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে তার নিজস্ব মহিমায়।

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: বৃন্দাবন তো অনেক ঘুরেছেন, 'গুপ্ত বৃন্দাবন' গিয়েছেন কখনও! মহাপ্রভুর পদধূলি ধন্য এই বৈষ্ণব তীর্থক্ষেত্রে লীলা করেছেন রাধাকৃষ্ণ
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল